নকশা তৈরি, পণ্য সংরক্ষণ ও অর্ডার গ্রহণ—শুরুতে বাসা থেকেই সব কাজ পরিচালনা করতেন তিনি। কাজের পরিধি বাড়তে থাকায় একসময় আলাদা জায়গার প্রয়োজন হয়ে পড়ে। ২০২১ সালে পশ্চিম কাজীপাড়ায় একটি ছোট জায়গা ভাড়া নেন খাদিজা। শুরুতে সেটি শুধু অফিস হিসেবে ব্যবহারের পরিকল্পনা ছিল। কর্মীদের কাজ ও পণ্য সংরক্ষণের জন্য জায়গাটি নেওয়া হয়েছিল। পরে সেটিই হয়ে ওঠে চিত্রাঙ্গদার এক্সপেরিয়েন্স জোন।
খাদিজা বলেন, ‘ঠিকানা প্রকাশের তিন দিনের মধ্যেই ক্রেতারা আসতে শুরু করেন। তখন কোনো ডিসপ্লে কর্নার ছিল না। পরে ধীরে ধীরে সেটি তৈরি করা হয়।’ বর্তমানে চিত্রাঙ্গদার নিজস্ব ওয়েবসাইট রয়েছে। ধানমন্ডির হাটকাহন ও চট্টগ্রামে রয়েছে বিক্রয়কেন্দ্র। পাশাপাশি রয়েছে নিজস্ব কারখানা। কারখানা, অফিস ও অনলাইন কার্যক্রম মিলিয়ে প্রায় ১৫ জন কাজ করছেন।