গুগলে সার্চ করে পৃথিবীর আর কোথাও ভাসমান নৌকার ওপর এমন সস্তা বোর্ডিং হোটেল আছে কি না, বোঝার চেষ্টা করলাম। পেলাম না। বদলে বিলাসবহুল সব ভাসমান রেস্তোরাঁ ও রিসোর্টের তথ্য আসা শুরু করল। গুগল পাতার এককোণে দেখতে পেলাম বিভিন্ন পত্রিকার নিউজ ফিড ও ফিচারে বুড়িগঙ্গা নদীর বুকে ভাসমান হোটেলের তথ্য। অনেক ইউটিউবারও কভার করেছেন বিভিন্ন সময়—সস্তায় বোর্ডিং, রাত কাটানোর আশ্রয় ও নিম্ন অ্যায়ের মানুষের বিশ্রামের ঠিকানা হিসেবে।

পাঁচ দশকের বেশি সময় ধরে বিশেষ গোষ্ঠীর জন্য সদা নিবেদিত এই আশ্রয়ণ কারবার। দিনমজুর, হকার, পান-সিগারেট বিক্রেতা, ফল ব্যবসায়ী ও অন্য শহর থেকে আসা ঠিকানাহীনদের অস্থায়ী আবাস এই ভাসমান বোর্ডিং। ঢাকা শহরের আবাসনসংকটে কি কোনো ভূমিকা রাখছে ভাসমান হোটেল? তৃণমূল ও নিম্ন আয়ের মানুষদের জন্য কতখানি সংবেদনশীল, কারিগরি দিক থেকেই–বা কতখানি টেকসই? এসব প্রশ্ন মাথায় রেখেই বিষয়টি নিয়ে একটা গবেষণা দাঁড় করাই। আর এ কাজে অনেকবার সরেজমিনে সেসব জায়গা পর্যবেক্ষণ করে বিস্তারিত বুঝতে চেষ্টা করেছি।

১৯৬০-৭০–এর দশক থেকে শুরু হওয়া এই হোটেলগুলো নদীর পাড়ে স্থায়ীভাবে ভাসমান অবস্থায় আছে। সাধারণত একটি নির্দিষ্ট স্থানে অবস্থান করে। বুড়িগঙ্গার বাবুবাজার ব্রিজের নিচে একসময় ১০-১১টি বোট ছিল, মুক্তিযুদ্ধের পর সংখ্যা কমতে থাকে, বর্তমানে মাত্র ৫টি বোট আছে—‘বুড়িগঙ্গা’, ‘উমা-উজালা’, ‘ফরিদপুর মুসলিম হোটেল বোর্ডিং’, ‘শরীয়তপুর’। বেশির ভাগই অত্যন্ত পুরোনো। ব্যবহারের উপযোগী রাখতে নিয়মিত মেরামতের কাজ চলতে থাকে।



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews