চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে হামিম চৌধুরী নামে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের এক কর্মী নিহত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার কেরানীহাট সিটি সেন্টারে এ ঘটনা ঘটে। নিহত হামিম চৌধুরী ছদাহা ইউনিয়নের আফজলনগর গ্রামের মৃত ফরিদুল আলমের ছেলে।
এ ঘটনায় ঘাতক বোরহানকে আটক করেছে পুলিশ। স্থানীয় লোকজনের ধাওয়ার মুখে পালিয়ে যাওয়ার সময় তাকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
সাতকানিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম হামিমের নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয় সূত্র ও প্রাথমিকভাবে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এলাকার কয়েকজন কিশোরের সঙ্গে হামিমের বিরোধকে কেন্দ্র করে আগে থেকেই উত্তেজনা চলছিল। ওই বিরোধের জের ধরে এর আগে মারামারির ঘটনাও ঘটে। মঙ্গলবার রাতে সেই বিরোধের রেশ ধরেই হামিমের সঙ্গে প্রতিপক্ষের লোকজনের ফের মারামারি হয়। একপর্যায়ে হামিমকে ছুরিকাঘাত করা হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখান থেকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে তার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় শেষ পর্যন্ত তিনি মারা যান।
ঘটনার পরপরই সিটি সেন্টার এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় লোকজন হামলাকারীদের আটকের চেষ্টা করেন। এ সময় বোরহান নামের ঘাতক পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে কয়েকজন তাকে ধাওয়া করেন। পরে তাকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
ওসি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ছুরিকাঘাতে একজন নিহত হয়েছেন। বোরহান নামে একজনকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে স্থানীয়রা।
তিনি জানান, ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ খুঁজতে পুলিশ কাজ করছে।
এনআই