রডের পরিবর্তে বাঁশের কঞ্চি দিয়ে ঢালাই দেওয়া আগৈলঝাড়ার ব্রিজটি অবশেষে ভেঙে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। সোমবার বিকেলে ব্রিজ ভাঙার সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিখন বনিক ও প্রকৌশলী রবীন্দ্র চক্রবর্তী উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা রত্নপুর ইউনিয়নের দুশমী-করিমবাজার খালের ওপর বাগধা ইউনিয়ন পরিষদের অর্থায়নে একটি আয়রন ব্রিজ নির্মাণ করা হয়। ওই ব্রিজটি ৪৫ ফুট দৈর্ঘ্য ও সাড়ে পাঁচ ফুট প্রস্থ করা হয়। ব্রিজটির ঢালাই দেওয়ার সরকারি নিয়ম রয়েছে ৫ ইঞ্চি কিন্তু ঢালাই দিয়েছে সাড়ে ৩ ইঞ্চি। আয়রন ব্রিজের দৈর্ঘের ৮ ইঞ্চি ও প্রস্থ ৬ ইঞ্চি পর পর রড দেওয়ার নিয়ম থাকলেও ঠিকাদার দিয়ে ১ ফুট পর পর।
স্থানীয়রা ঢালাইয়ের সময় বাধা দিলে ঠিকাদার ৫ পিচ রড আনেন এবং ঢালাইয়ে সিমেন্ট কম হওয়ায় স্থানীয়দের দিয়ে ৫ ব্যাগ সিমেন্ট ক্রয় করে এনে ব্রিজের উত্তর পাড়ে বাঁশের কঞ্চি দিয়ে ১৩ এপ্রিল ঢালাই সম্পন্ন করে। ঘটনা ১৬ এপ্রিল দৈনিক যুগান্তরসহ বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রকাশিত হলে উপজেলা প্রশাসনে টনক নড়ে।
২৯ জুন বিকালে নির্বাহী কর্মকর্তা লিখন বনিক ও প্রকৌশলী রবীন্দ্র চক্রবর্তীর উপস্থিতিতে ব্রিজটি ভাঙা হলে ব্রিজের উত্তরপাশে রডের পরিবর্তে বাঁশ পাওয়া যায়। তবে প্রথমে উপজেলা প্রশাসন থেকে পরে ব্রিজ ভাঙার কথা মিডিয়ার সামনে বললেও তা ভাঙা হয়নি।