সিডনিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাইদের আয়োজনে বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য ও আনন্দঘন নৌবিহার অনুষ্ঠিত হয়েছে। অ্যালামনাই ও তাদের পরিবারগুলোর প্রায় তিনশত পঞ্চাশ জনের অংশগ্রহণে দিনব্যাপী এই আয়োজন এক মিলনমেলায় পরিণত হয়।
রবিবার (১৯ এপ্রিল) সিডনিতে ‘নববর্ষে নব কিরণে এসো মিলি নৌবিহারে’ স্লোগানে এ আয়োজন করা হয়।
দুপুর ১২টা থেকে টিকিট সংগ্রহ শুরু হয়। এরপর দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে বোর্ডিং এবং দুপুর ১টায় আনুষ্ঠানিকভাবে ক্রুজ যাত্রা শুরু হয়। দুপুর ১টা ৩০ মিনিট থেকে ২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত অতিথিদের জন্য মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করা হয়।
দুপুর ২টা ৩৫ মিনিট থেকে শুরু হয় অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ সাংস্কৃতিক পর্ব। পুরো অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন নার্গিস বানু। শুরুতে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়। এরপর ‘অ্যাকনলেজমেন্ট অফ কান্ট্রি’ উপস্থাপন করেন হাফিদ আবিয়ান।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কামরুল মান্নান আকাশ। এ সময় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও স্পন্সরদের পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। সাধারণ সম্পাদক লিংকন শফিকউল্লাহ ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। কোষাধ্যক্ষ জাহিদ মাহমুদ এবং ক্রুজ সমন্বয়ক নাজমুল হক আয়োজনের সাফল্যে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান।
সাংস্কৃতিক সম্পাদক সাকিনা আখতারের উপস্থাপনায় সাংস্কৃতিক পর্বে কোরাস, কবিতা আবৃত্তি ও একক সংগীত পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়। মাসুদ মিঠুন, তামিমা শাহরিন, সাব্বির, মোকাররম, আজিজুন ও আদিতির একক পরিবেশনা এবং নতুন প্রজন্মের তানিশা আলিজার গান দর্শকদের মুগ্ধ করে।
সন্ধ্যা ৬টায় লিংকন শফিকউল্লাহর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয় র্যাফেল ড্র। এতে আকর্ষণীয় পুরস্কার তুলে দেন কামরুল মান্নান আকাশ, আহসানুল হক হাদী ও গোলাম মাওলা। সন্ধ্যা ৭টায় আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ও যাত্রীদের অবতরণের মাধ্যমে দিনব্যাপী এ আয়োজন শেষ হয়। প্রবাসে বাংলাদেশি সংস্কৃতি, সৌহার্দ্য ও কমিউনিটির বন্ধন আরও দৃঢ় করতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন উপস্থিত অতিথিরা।
অনুষ্ঠানের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন কামরুল মান্নান আকাশ ও লিংকন শফিকউল্লাহ। ক্রুজ ব্যবস্থাপনায় দায়িত্ব পালন করেন আহসানুল হক হাদী, জাহিদ মাহমুদ, নাজমুল হক ও বিশ্ব চক্রবর্তী।
বিডি-প্রতিদিন/এমই