তার মা জানান, মেয়েটি ভেবেছিল সে আর বাঁচবে না, ‘মেয়েটি আমাকে বলেছে, আমি ভেবেছিলাম, আমি আর কখনো তোমার মুখ দেখতে পাব না।’
১৮ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থী রয়টার্সকে জানায়, প্রথমে সে ভেবেছিল, কেউ বাজি ফোটাচ্ছে। ওই শিক্ষার্থী বলেন, ‘প্রথমে আমি বুঝতে পারিনি যে এটা বন্দুকের গুলি। অনেকগুলো আওয়াজ হচ্ছিল, ঠাস ঠাস ঠাস। এরপর কিছুক্ষণ সবকিছু নিস্তব্ধ হয়ে যায়। তারপর আবার একই শব্দ শুরু হয়।’
স্কুলের ফটক থেকে মাত্র কয়েক মিটার দূরে প্যারামেডিক কর্মীরা আহতদের অ্যাম্বুলেন্সে তুলে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান। আর ভিড়ের মধ্যে থাকা লোকজন একে অপরকে জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।