ওয়ার্ডগুলোর একাধিক চিকিৎসক, নার্স এবং অন্তত পাঁচজন রোগী ও তাঁদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত আট দিন ধরে গড়ে প্রতিদিন পাঁচ–ছয়বার লোডশেডিং হচ্ছে। প্রতিবার কম করে হলেও আধা ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না।

কর্তব্যরত চিকিৎসক ইশতিয়াক আহমেদ বলেন, আট দিন ধরে ২৯ ও ৩০ নম্বর ওয়ার্ডে বিদ্যুৎ চলে গেলে জেনারেটরের জরুরি সংযোগ পাওয়া যাচ্ছে না। মুঠোফোনের আলোয় রোগীদের দেখতে হচ্ছে। এখন ঘনঘন লোডশেডিং হচ্ছে। একে তো গরম, তার ওপর রোগীর চাপ বেশি। এতে চরম ভোগান্তি হচ্ছে।

আগে বিদ্যুৎ চলে গেলে জেনারেটরের মাধ্যমে হাসপাতালের সব ওয়ার্ডে জরুরি বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হতো বলে জানালেন হাসপাতালের বিদ্যুৎমিস্ত্রি কামরুজ্জামান। তিনি বলেন, নেসকো (উত্তরাঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ ও বিতরণের দায়িত্বে থাকা প্রতিষ্ঠান) হাসপাতালে ডুয়েল ফিডার চালু করায় ১২টি ওয়ার্ডে জেনারেটরের জরুরি সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ঘন ঘন লোডশেডিং হচ্ছে। বিদ্যুৎ গেলে ওয়ার্ডগুলোতে ভুতুড়ে অবস্থার সৃষ্টি হয়।



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews