ইসরায়েলি কারাগারে আটক ফিলিস্তিনি নারী বন্দিদের সেল পরিদর্শন এবং তাদের ওপর আরোপিত অত্যন্ত কঠোর বিধি-নিষেধ এবং চরম অপমানজনক ও অমানবিক আচরণের বিষয়টি প্রকাশ্যে তুলে ধরার পর তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তাবিষয়ক মন্ত্রী উগ্রবাদী ইতমার বেন-গ্যাভির।

সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজে ফিলিস্তিনি কর্মকর্তা ও বিশ্লেষকরা বেন-গ্যাভিরের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন যে, তিনি ফিলিস্তিনি বন্দিদের চরম নির্মম পরিস্থিতির মধ্যে রাখার বিষয়টি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে জনসমক্ষে প্রদর্শন করতে চেয়েছেন।

ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের 'কমিশন অব ডিটেইনিজ অ্যান্ড এক্স-ডিটেইনিজ অ্যাফেয়ার্স'-এর আইনজীবী খালেদ মহাজনেহ জানান, এই ফুটেজের মাধ্যমে ইসরায়েলি হেফাজতে ফিলিস্তিনি নারীদের মুখোমুখি হওয়া ভয়াবহ পরিস্থিতির এক দুর্লভ চিত্র প্রকাশ্যে এসেছে।

সেলে থাকা নারী বন্দিরা যেসব মৌলিক অধিকার ও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হওয়ার কথা বলছিলেন, সেটির প্রতি ইঙ্গিত করে মহাজনেহ এক্স (সাবেক টুইটার)-এ লেখেন, "হয়তো বিশ্ব এবার তাদের কথা শুনবে।" মহাজনেহ আরও বলেন, বেন-গ্যাভির ফিলিস্তিনি বন্দিদের প্রতি তাঁর কঠোর নীতি প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে ভিডিওটি প্রকাশ করলেও, বাস্তবে এটি কারাগারে বন্দিদের সাথে করা অপমানজনক ও অমানবিক আচরণের চিত্রই উন্মোচিত করেছে।

কাতারের সাংবাদিক জাবের আল-হারমি এই পরিদর্শন এবং বেন-গ্যাভিরের বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনি নারী বন্দিদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ তোলেন। সেই সাথে বন্দিদের সুরক্ষায় এবং তাদের অবস্থার উন্নয়নে ব্যর্থ হওয়ায় আরব ও মুসলিম দেশগুলোর সরকারগুলোর সমালোচনাও করেন তিনি।

একইভাবে কাতারি ইতিহাসবিদ আহমেদ আল-বিনালি পরিদর্শনের সময় বেন-গ্যাভিরের মন্তব্যের কড়া নিন্দা জানান। সফরের সময় বেন-গ্যাভির ঔদ্ধত্যের সাথে বলেছিলেন, "ইসরায়েলি কারাগারে 'সামার ক্যাম্পের' (আরাম-আয়েশের) দিন শেষ। এখন দায়িত্ব আমার হাতে।"



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews