আরও উদ্বেগের বিষয় হলো, মন্ত্রী মূল প্রশ্নটির কোনো সুনির্দিষ্ট জবাব দেননি। তাঁর বিদ্রূপাত্মক ও আক্রমণাত্মক ভাষা এবং বৈধ প্রশ্ন তোলা সাংবাদিকদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে ইঙ্গিত করা সংবাদমাধ্যমকে ভয় দেখাতে পারে। একই সঙ্গে তা ক্ষমতাসীনদের জবাবদিহির আওতায় আনতে সাংবাদিকদের নিরুৎসাহিত করতে পারে।
বিজেআইএমের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের একটি সংবাদমাধ্যমের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরকে নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তোলা হয়েছে। মন্ত্রিসভায় যোগ দেওয়ার আগে তিনি সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছিলেন কি না, সেই প্রশ্ন তোলা হয়েছে। হুমায়ুন কবির দীর্ঘদিন ব্রিটেনের রাজনৈতিক জীবন ও স্থানীয় সরকারের দায়িত্ব পালনের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকায় প্রশ্নটি বিশেষভাবে প্রাসঙ্গিক। তিনি লেবার পার্টি থেকে বেনশাম ম্যানর–এর কাউন্সিলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং ২০১৯ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত ক্রোয়িডনের মেয়র ছিলেন।