ইংল্যান্ড ফুটবলপাগল বলে পরিচিতি আছে। কঙ্গোর বিরুদ্ধে তাদের অধিনায়ক হ্যারি কেন-এর জোড়া গোলে পুরো ইংল্যান্ড আনন্দে ভাসছে। দ্বিতীয়ার্ধে জোড়া গোল করে দলকে অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের স্বাদ এনে দেন তিনি । তখন থেকেই দেশজুড়ে পাব, বার ও ফ্যান জোনে উল্লাসে মেতে ওঠেন সমর্থকরা।

স্থানীয় সময় বিকেল ৫টার কিক-অফ ধরতে লাখ লাখ সমর্থক কাজ শেষ করে দ্রুত পাব ও ফ্যান জোনে ছুটে যান। শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হয় উৎসব। কেউ কঙ্গা নাচে অংশ নেন, কেউ আবার ওয়ান্ডারওয়াল গানে কণ্ঠ মেলান।

গভীর রাত পর্যন্ত দেশজুড়ে চলে বিজয় উদযাপন। ম্যাচের এক পর্যায়ে পরাজয়ের মুখে দাঁড়িয়ে ছিল ইংল্যান্ড। কিন্তু অধিনায়ক হ্যারি কেন দ্বিতীয়ার্ধে দুটি গোল করে দলকে ২-১ ব্যবধানে জয় এনে দেন।

তার দ্বিতীয় গোলটি জালে জড়াতেই স্টেডিয়াম ও ফ্যান জোনে বজ্রধ্বনির মতো উল্লাস শুরু হয়।

সমর্থকদের হাতে থাকা বিয়ারের গ্লাস আকাশে ছুড়ে দেয়া হয়, চারদিকে ধ্বনিত হতে থাকে দেশাত্মবোধক স্লোগান। অনেকেই একে অপরকে জড়িয়ে ধরেন।

আবার কোথাও কোথাও সমর্থকরা কঙ্গা নাচে অংশ নেন, যা ছিল প্রতিপক্ষ আফ্রিকান দলকে ঘিরে এক ধরনের রসিকতাপূর্ণ উদযাপন।

প্রিন্স উইলিয়াম ইনস্টাগ্রামে চোখ টেপার ইমোজি দিয়ে মজা করে লিখেছেন, ‘জয় নিয়ে কখনোই সন্দেহ ছিল না। দারুণ খেলেছ ইংল্যান্ড! এবার পরের ম্যাচ।’ অন্যদিকে বৃটেনের প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ের স্টারমার এক্সে লিখেছেন, ‘হয়তো এবার সত্যিই ফুটবল ঘরে ফিরছে।’

উত্তর আমেরিকার সময়সূচির সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে ইংল্যান্ডের বেশির ভাগ ম্যাচই রাতের দিকে অনুষ্ঠিত হয়েছে। তাই বিকেল ৫টার এই ম্যাচটি তুলনামূলকভাবে আগেভাগেই শুরু হওয়ায় বহু সমর্থক অফিস থেকে আগেভাগে বেরিয়ে পড়েন।

লন্ডন, লিডস, নিউক্যাসল, ব্রাইটন ও ব্ল্যাকপুলের ফ্যান জোনগুলো লাল-সাদা জার্সিধারী সমর্থকে ভরে যায়। ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার মধ্যেও হাজারো মানুষ কাজ শেষে সরাসরি বড় পর্দার সামনে গিয়ে দলের জন্য গলা ফাটান।



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews