তবে সম্প্রতি বাংলাদেশ সরকার দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগে যোগ্য প্রার্থী বাছাইয়ের জন্য সার্চ কমিটির ঘোষণা দিয়েছে। ১ এপ্রিল প্রথম আলোর অনলাইনে প্রকাশিত খবরে দেখা যাচ্ছে, ছয় সদস্যের সার্চ কমিটি সভাপতি হিসেবে থাকছেন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আর অন্যান্য সদস্য হিসেবে থাকছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের একজন সদস্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের একজন অধ্যাপক। এ ছাড়া মাধ্যমিক উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (বিশ্ববিদ্যালয়) এই কমিটিতে সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্যের পদমর্যাদা ‘কাঠামোগত’ভাবে সচিবদের ঊর্ধ্বে থাকা উচিত। কিন্তু নিয়তির কী পরিহাস, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগের দায়িত্ব পাচ্ছে আমলাতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার ছোঁয়া।
একজন সচিব কোন যোগ্যতা বলয়ে উপাচার্য নিয়োগের সার্চ কমিটিতে ঢুকে পড়ে, তা বিশ্বের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে নজির না থাকলেও আমাদের দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সেই সুযোগ পেয়ে যাচ্ছে। অদ্ভুত উটের পিঠে চলছে দেশ। আপনি যদি খোলা চোখেও বিবেচনা করেন, তাহলে একজন সচিব স্নাতক/স্নাতকোত্তর পাস করে কর্ম কমিশনের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে কর্মজীবনে প্রবেশ করেন।