মলুয়া চরিত্রে অভিনয় করেছেন হুমায়রা স্নিগ্ধা, প্রেমা ও নানজীবা শৈলী। একই চরিত্রে তিন শিল্পীর উপস্থিতি প্রযোজনাটির অন্যতম বৈশিষ্ট্য। তাঁদের অভিনয়ে মলুয়া কোনো নির্দিষ্ট সময়ের একজন নারী না থেকে অনেক নারীর প্রতিচ্ছবি হয়ে ওঠে।
চাঁদ বিনোদ চরিত্রে অভিনয় করেছেন হাসনাত রিপন। অভিনেতা ও সংগীতশিল্পী হিসেবে পরিচিতি আছে তাঁর। এ নাটকে তাঁর অভিনয় বেশ শক্তিশালী ছিল। প্রেমিক থেকে স্বামী, পরে সামাজিক চাপের কাছে নত হয়ে যাওয়া বিনোদের পরিবর্তন অভিনয়ে ফুটিয়ে তুলেছেন রিপন।
প্রিয়ম মজুমদারকে দেখা গেছে কখনো বিনোদ, কখনো ঘটক, কখনো গায়েনের চরিত্রে। চরিত্র বদলের সঙ্গে তাঁর শরীরী অভিনয় ও কমেডির জায়গাগুলো ছিল উপভোগ্য। হীরাধর চরিত্রে শাহরিয়ার সজীব এবং কাজি চরিত্রে পি কে ফজলের অভিনয়ও দর্শকদের হাসিয়েছে।
বিনোদ, লোক, গায়েন ও বাদক চরিত্রে গোপী দেবনাথ ও ধ্রুব, মা চরিত্রে অরিন, দেওয়ান চরিত্রে শাহীন সাইদুর এবং গায়েনের চরিত্রে নুসরাত জাহান ইরাও সমানতালে অভিনয় করেছেন।
একই চরিত্রে একাধিক শিল্পীর অভিনয় ও একজন শিল্পীর একাধিক চরিত্রে চলে যাওয়া প্রযোজনাটিকে প্রচলিত নাট্যরীতি থেকে আলাদা করেছে। তবে অভিনয়ের সঙ্গে কোরিওগ্রাফি, আলোক পরিকল্পনা, পোশাক ও মঞ্চসজ্জাও নাটকটিকে দর্শকের কাছে উপভোগ্য করেছে।