বাংলাদেশে এ পর্যন্ত দুইবার  তথাকথিত ফেরেশতা বা সাধুজাতীয় মহাপুরুষদের নিয়ে সরকার গঠিত হয়েছে। একবার ২০০৭ সালের ওয়ান-ইলেভেনে। আরেকবার ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থান শেষে। চেহারায় তারা ফেরেশতা বা সাধুজাতীয় মহাপুরুষ হলেও ওই দুই শাসনামলের অভিজ্ঞতা দেশবাসীর জন্য খুব একটা সুখকর হয়নি। এই দুই আমল নিয়ে ভাবতে গেলে কেন যেন ‘সাধু শয়তান’ নামের ঢাকাইয়া সিনেমার কথা মনে পড়ে যায়। ছবিটি অনেকেই দেখে থাকবেন। রাজ্জাক ও শাবানা অভিনীত দর্শকনন্দিত ওই সিনেমার একটি গান বেশ জনপ্রিয়তাও অর্জন করেছিল। গানটির কিছু অংশ এখনো মনে নাড়া দেয়-‘মুখ দেখে ভুল করো না/ মুখটা তো নয় মনের আয়না/ মানুষের ভিতরের খবর তো কেউ পায় না/ সাধু আর শয়তানে যে ভাই/ দুনিয়ায় চলেছে লড়াই/... কে সাধু, কে শয়তান কিছুই বলা যায় না/।’ প্রিয় পাঠক, ঢাকাইয়া সিনেমা কিংবা তার গানের বিষয়টি মনে উঁকি দিয়েছে ওয়ান-ইলেভেন ও জুলাই অভ্যুত্থানের ফসল ফেরেশতা বা সাধুজাতীয় সরকারের দাবিদার মহাপ্রতারকদের নিয়ে কিছু কথা লিখতে গিয়ে।

ওয়ান-ইলেভেনের সঙ্গে জেনারেল মইন ইউ আহমেদ ও লে. জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ইতিহাসের খলনায়ক হিসেবে মীরজাফর ও খন্দকার মোশতাকের পাশে ঠাঁই নিয়েছে এই দুটি নাম। ওয়ান-ইলেভেনের পেছনে ফখরুদ্দীন, মইন উ আহমেদ ও জেনারেল মাসুদের নাম জোরেশোরে উচ্চারিত হয়। কিন্তু সেই গভীর ষড়যন্ত্রেরও মূল হোতা ছিলেন জুলাই অভ্যুত্থানের মাস্টারমাইন্ড, দেশবাসীর কাছে ‘মহাজন’ হিসেবে পরিচিত এক মহাপুরুষ। ওয়ান-ইলেভেন পর্বে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে নোবেল লরিয়েট ওই মহাপুরুষের নাম প্রস্তাব করা হয়। যে প্রস্তাবটি এসেছিল পশ্চিমা দুনিয়ার নেতৃস্থানীয় দেশগুলোর কাছ থেকে। কিন্তু তিনি স্বল্পসময়ের জন্য সরকার বা রাষ্ট্রপ্রধানের দায়িত্ব নিতে চাননি। তাই প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে ওই মহাজনই প্রস্তাব দেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ফখরুদ্দীন আহমদের নাম। যিনি ওই নোবেল লরিয়েটের মতোই ওয়াশিংটন, লন্ডন, প্যারিস, বার্লিনের কর্তাব্যক্তিদের কাছেও পছন্দনীয় বলে বিবেচিত হতেন। পছন্দনীয় ছিলেন ওয়ান-ইলেভেনকাণ্ডে পশ্চিমা দেশগুলোর সহযোগী হিসেবে ভূমিকা পালনকারী বাংলাদেশের প্রতিবেশী একটি দেশের কাছেও।

ওয়ান-ইলেভেনের উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশকে পশ্চিমা দেশগুলোর করদ রাজ্য বানানো। যাতে এদেশকে ব্যবহার করে চীনের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষাব্যূহ রচনা করা যায়। বঙ্গোপসাগর ও ইন্দোপ্যাসিফিক এলাকার নিয়ন্ত্রণ রাখা যায় নিজেদের হাতে। বাংলাদেশকে করদ রাজ্য বানানোর ষড়যন্ত্র শুরু হয় ২০০৪ সালের দিকে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট সরকারের আমলে। ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অগোচরেই চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক নষ্ট করতে উঠেপড়ে লাগে একটি মহল। সরকারের মধ্যকার ‘ডিপস্টেট’ এজন্য সক্রিয় হয়ে ওঠে। ঢাকায় জাতীয়তাবাদী চীন বা তাইওয়ানের বাণিজ্যিক অফিস খোলা হয় প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অজ্ঞাতে। এ নিয়ে দুই দেশের সম্পর্কে ভুলবোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়। বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত চাই ঝি এ বিষয়ে আলোচনা করতে আমার সে সময়ের কর্মস্থল দৈনিক খবরপত্র অফিসে আসেন। কথা বলেন সম্পাদক গিয়াস কামাল চৌধুরী ও আমার সঙ্গে। চাই ঝি জানান, তিনি ১৯৭৬ সালে প্রেসিডেন্ট জিয়ার শাসনামলে বাংলাদেশে আসেন। বাংলা ভাষা নিয়ে পড়েন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। বাংলাদেশে এক যুগ চাকরি করেছেন কূটনীতিক হিসেবে। চীনের রাষ্ট্রদূত পদে তাঁর দায়িত্ব পালনকালে বাংলাদেশে চীনের বিচ্ছিন্ন প্রদেশ তাইওয়ানের অফিস হবে তা তিনি আশা করেননি। গিয়াস ভাইয়ের পরামর্শেই এ বিষয়ে লেখার সিদ্ধান্ত নিই।

২০০৪ সালের ৯ মার্চ দৈনিক খবরপত্রের উপসম্পাদকীয়তে স্পষ্টভাষণ কলামে ‘চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক : বিভীষণদের উদ্দেশ্য কী’ শীর্ষক আমার একটি লেখা ছাপা হয়। এরপর এ বিষয়ে সরকারের টনক নড়ে। প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশে তাইওয়ানের অফিস বন্ধ করে দেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, ঢাকায় তাইওয়ানের অফিস খোলার পেছনে জড়িত ছিল বিএনপিতে লুকিয়ে থাকা ঘরশত্রু বিভীষণরা। বিএনপির বন্ধুদের অভিযোগ, বিভীষণদের পেছনে জোট সরকারের অন্তর্ভুক্ত কমিউনিস্টবিরোধী একটি ইসলামি দলের মদত ছিল। তাদের উদ্দেশ্য ছিল চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের অবনতি ঘটানো। যাতে চীনের বিরুদ্ধে পশ্চিমা জোটের ঘাঁটি হিসেবে বাংলাদেশকে ব্যবহার করা যায়।

ওয়ান-ইলেভেনের ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছিল বিএনপি ক্ষমতায় থাকতেই। এক ঢিলে দুই পাখি শিকারের উদ্দেশ্যে আওয়ামী লীগের সঙ্গে বিএনপির সম্পর্কের অবনতি ঘটানো হয়। তারপর আঁটা হয় বিরাজনীতিকরণের নীলনকশা। মাইনাস টু ফর্মুলা বাস্তবায়নে সক্রিয় হয়, এ ষড়যন্ত্রের কুশীলবরা। তাদের চক্রান্তেই তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে মতপার্থক্য সৃষ্টি হয়। বাধ্য হয়ে প্রেসিডেন্ট ইয়াজউদ্দিন তাঁর নেতৃত্বে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করেন। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট ওই সরকারের বিরুদ্ধেও অবস্থান নেয়। তবে পর্দার আড়ালে চলতে থাকে সমঝোতার চেষ্টা। প্রেসিডেন্ট ইয়াজউদ্দিনের হয়ে দূতিয়ালিতে নামেন তাঁর প্রেস সচিব মোখলেসুর রহমান চৌধুরী। সংকট নিরসনের সে চেষ্টায় মতপার্থক্যের বরফ গলতে থাকে। নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোটের অংশগ্রহণের বিষয়ে সমঝোতার কাছাকাছি পৌঁছায় তারা। নিজেদের নীলনকশা নস্যাতের আশঙ্কায় তেলেবেগুনে জ্বলে ওঠে ষড়যন্ত্রকারীরা। এবার সরাসরি মাঠে নামেন দুই জেনারেল। সেনাপ্রধান মইন ইউ আহমেদ ও লে. জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী। ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি সেনাসদস্যদের নিয়ে বঙ্গভবনে ঢোকেন তাঁরা। উদ্দেশ্য একটাই রাজনৈতিক সমঝোতা প্রতিষ্ঠায় প্রেসিডেন্ট ইয়াজউদ্দিনের প্রয়াসকে বানচাল করা। তাঁরা প্রথমেই টার্গেট করেন প্রেসিডেন্টের প্রেস সচিব মোখলেসুর রহমান চৌধুরীকে। তাঁর রুমে ঢুকে ভয়ভীতি দেখানো শুধু নয়, তাঁকে অপদস্থও করেন। এ ব্যাপারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন জেনারেল মাসুদ। মোখলেসের মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়। বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয় টেলিফোন লাইন। এরপর  জেনারেল মইন  ও জেনারেল মাসুদ দলবল নিয়ে প্রেসিডেন্ট ইয়াজউদ্দিনের কক্ষে ঢোকেন। সরাসরি বলা হয়, এখন থেকে তারা যা বলবেন, প্রেসিডেন্টকে সে পথেই চলতে হবে। নতুবা পরিণতি হবে ভয়ংকর। এর পরের ইতিহাস কমবেশি অনেকেরই জানা। দুই জেনারেল ও তাদের বিদেশি প্রভুদের পরামর্শে ওয়ান-ইলেভেন ঘটনার মাস্টারমাইন্ড দেশের সবচেয়ে বড় সুদি মাহাজন রাজনৈতিক দল গঠনের উদ্যোগ নেন। দুই শীর্ষ রাজনৈতিক নেত্রীকে মাইনাস করার তোড়জোড় শুরু হয়। তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয় ভুয়া মামলা সাজিয়ে। ষড়যন্ত্রকারীদের প্রধান টার্গেটে পরিণত হয় বিএনপি। এ দলের তৎকালীন সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব তারেক রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয় কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়াই। গ্রেপ্তার অবস্থায় তাঁর ওপর চালানো হয় পৈশাচিক নির্যাতন। তাঁকে পঙ্গু করার জন্য যে নির্যাতন করা হয় তাতে নেতৃত্ব দেন জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী।

দুই.

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসের শাসনামলে বৈদেশিক ঋণ বেড়েছে ১০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি। সাধু চরিত্রের লোকজনকে নিয়ে গড়া ওই সরকার উল্লেখযোগ্য নতুন কোনো উন্নয়নকাজে হাত দেয়নি। চলমান অনেক প্রকল্পও থামিয়ে দেওয়া হয় অপচয়ের অজুহাতে।  তারপরও নোবেলজয়ী এই মহাপুরুষের আমলে দেশের বৈদেশিক ঋণ বেড়েছে রকেটগতিতে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর শেষে মোট বৈদেশিক ঋণ ছিল ১১৩ দশমিক ৫১ বিলিয়ন ডলার। এই বিশাল  ঋণের বোঝা বইতে হচ্ছে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জয়ী বিএনপি সরকারকে। যা বাংলাদেশের জনগণকেই শোধ করতে হবে সুদে আসলে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। শেখ হাসিনার কর্তৃত্ববাদী শাসন অবসানের কৃতিত্ব জুলাই গণ অভ্যুত্থানের। এখন জুলাইকাণ্ডের নেতারাও স্বীকার করছেন তাঁদের সঙ্গে আমেরিকান ডিপ স্টেটের সম্পর্ক ছিল। খোদ ট্রাম্প সাহেবও বলেছেন বাংলাদেশে সরকার পরিবর্তনে বিপুল অর্থ ঢালা হয়েছিল। তিনি এজন্য দায়ী করেছেন পূর্বসূরি প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে। শেখ হাসিনা যখন ক্ষমতা ছাড়েন, সে সময় দেশের মোট বৈদেশিক ঋণ ছিল ১০৩ দশমিক ৪১ বিলিয়ন ডলার।  ইউনূসের দেড় বছরে ঋণের পরিমাণ ১০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি বেড়ে ১১৩ দশমিক ৫১ বিলিয়নে ঠেকেছে। বিশ্লেষকদের মতে, বাজেট ঘাটতি সামাল দিতেই ইউনূস সরকার ঢালাওভাবে ঋণ নিয়েছে। মুখে ভারত বিরোধিতার কপচানির আড়ালে তারা প্রাচীন ভারতের চার্বাক দর্শনকে অনুকরণ করেছে অন্ধভাবে। চার্বাক দর্শনের মূল কথা-‘ঋণং কৃত্বা ঘৃতং পিবেৎ, যাবৎ জীবেৎ সুখং জীবেৎ’। ধার করে হলেও ঘি খেয়ে সুখে বাঁচো। ইউনূস গং দেশকে কীভাবে ঋণের শিকলে বাঁধা যায়, সে কাজটিই করে গেছেন দেড় বছরের শাসনামলে। শেখ হাসিনার আমলে দেশ গণতন্ত্রের সংকটে ভুগেছে সন্দেহ নেই। দুর্নীতি নিয়েও অভিযোগ কম নয়। জুলাই অভ্যুত্থানের আগে বড় বড় অবকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়নে বিপুল বৈদেশিক ঋণ নিয়েছে বাংলাদেশ। এর মধ্যে রয়েছে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, মেট্রোরেল, এক্সপ্রেসওয়ে, টানেল, বিদ্যুৎকেন্দ্র ও বিমানবন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্প। যার বদৌলতে দেশের মানুষের গড় আয় ব্যাপক হারে বেড়েছে। বাংলাদেশ মধ্য আয়ের দেশে পরিণত হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় নতুন কোনো উন্নয়নকাজ না হলেও ঋণ নেওয়া হয়েছে বেপরোয়াভাবে। নির্বাচনের পর যে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এসেছে, তারা মসনদে বসেছে বড় অঙ্কের ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে। রপ্তানি আয় ও রেমিট্যান্স বৃদ্ধি না পেলে এ বৈদেশিক ঋণের কিস্তি পরিশোধে হিমশিম খেতে হবে। বিএনপি ক্ষমতায় আসার পরপরই ইরানের ওপর আমেরিকা ও ইসরায়েলের চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধ বিশ্ব অর্থনীতিতে মন্দা ডেকে এনেছে। বাংলাদেশও তার প্রত্যক্ষ শিকার। ইউনূসী জমানা থেকেই রপ্তানি আয়ে কোনো সুখবর নেই। রেমিট্যান্স আয় বাড়ার বদলে কমেছে। সমালোচকদের মতে, বাংলাদেশের ওপর আমেরিকার ডিপ স্টেট চাপিয়ে দিয়েছিল সিন্দাবাদের ভূত ড. ইউনূসকে। যিনি গরিব মানুষকে ঋণের জালে আবদ্ধ করার কৃতিত্ব দেখিয়ে স্বদেশে ‘সুদখোর মহাজন’ হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছেন। সমকামীদের অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রবক্তা হিসেবে নাম কিনেছেন বিশ্বপরিসরে। ইসলামে সুদ ও সমকামিতা কবিরা গুনাহ হিসেবে নিন্দিত ও ঘৃণিত। অথচ তাঁর সঙ্গে হাত মিলিয়েছে ধর্মের সাইনবোর্ডধারী একাধিক রাজনৈতিক দল। দেশবাসীকে স্বপ্ন দেখানো হয়েছিল এই মহাপুরুষের বদৌলতে সারা পৃথিবী বাংলাদেশের মুখাপেক্ষী হবে। কিন্তু ইউনূসী শাসনে আম ও ছালা দুটোই হারিয়েছে দেশবাসী। দেশকে ১০ বিলিয়ন ডলার অর্থাৎ সোয়া লাখ কোটি টাকার দেনায় আবদ্ধ করা ছাড়া ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের আর কোনো কৃতিত্ব আছে বলে আমাদের জানা নেই।

লেখক : সিনিয়র সহকারী সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন

ইমেইল : [email protected]



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews