গত ২৭ মে তালেবান ও রাশিয়ার মধ্যে নিরাপত্তা সহযোগিতাবিষয়ক যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে, তার বিষয়বস্তু এখনো প্রকাশ করা হয়নি। তবু এটি ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে। এই চুক্তি আফগানিস্তানের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা, পররাষ্ট্রনীতি এবং আন্তর্জাতিক অবস্থানের ওপর কী প্রভাব ফেলতে পারে—সে বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠেছে।
আইনগত দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে, যে সরকারের ব্যাপক অভ্যন্তরীণ বৈধতা ও আনুষ্ঠানিক আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি নেই, তাদের করা চুক্তিগুলো স্বাভাবিকভাবেই আইনগত ও রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতার ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতার মুখে পড়ে। আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, কৌশলগত দৃষ্টিকোণ থেকে এই ব্যবস্থা আফগানিস্তানের দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় স্বার্থকে এগিয়ে না–ও নিতে পারে। বরং এটি দেশটিকে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শক্তিগুলোর প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্যে আরও গভীরভাবে জড়িয়ে ফেলতে পারে।