অধ্যাপক ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণের কয়েক মাস পর কয়েকটি রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৫ সালের ১২ মে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনগুলোর সব কর্মকাণ্ডে নিষেধাজ্ঞা জারি করে দেশের প্রাচীন ও মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী দলটির বিরুদ্ধে গেজেট প্রকাশ করা হয়।
জুলাই হত্যাযজ্ঞের বিচারের আগ পর্যন্ত দলটির কার্যক্রমে এ নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের আইন সংশোধন করে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের বিচার শুরু করে, নির্বাচন কমিশন থেকে দলটির নিবন্ধন স্থগিত করার মধ্য দিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন থেকে ছিটকে পড়ে।
এই যখন অবস্থা, তখন দল হিসেবে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি নিয়ে দেশের ভেতরে ও বাইরে বেশ আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দেয়। খোদ জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশন চব্বিশের নারকীয় হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে যে তদন্ত প্রতিবেদন দিয়েছিল, সেখানেও রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ না করার বিষয়ে সুপারিশ করা হয়েছিল।