টানা বর্ষণ ও ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার সীমান্তবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে শুরু করেছে। এতে এলাকাজুড়ে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

সোমবার (১৩ জুলাই) ভোর থেকে অতিবৃষ্টির কারণে ত্রিপুরার উজান থেকে নেমে আসা ঢলের পানি দ্রুত বৃদ্ধি পায়। স্থলবন্দর এলাকার পাশ দিয়ে প্রবাহিত কালন্দি খাল ও জাজি নদী দিয়ে পাহাড়ি ঢলের পানি বাংলাদেশে প্রবেশ করায় সীমান্তবর্তী বিস্তীর্ণ এলাকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে। তবে নতুন করে ভারী বৃষ্টিপাত না হলে অল্প সময়ের মধ্যেই পানি নেমে যাওয়ার আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার সীমান্তবর্তী মোগড়া, মনিয়ন্দ ও দক্ষিণ ইউনিয়নের বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলে পানি ঢুকে পড়েছে। একই সাথে আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট ও কাস্টমস হাউস এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। তবে এ পর্যন্ত দাফতরিক কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে।

এদিকে আখাউড়া-আগরতলা স্থলবন্দর সড়কে এখনো পানি না ওঠায় বন্দরগামী যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। যদিও স্থলবন্দর এলাকার কয়েকটি সিএন্ডএফ এজেন্টের কার্যালয়, আমদানি-রফতানিকারক প্রতিষ্ঠানের নিচতলা, খাবার হোটেল এবং সীমান্তবর্তী অনেক বাড়িঘর ঢলের পানিতে প্লাবিত হয়েছে। তবুও আমদানি-রফতানি কার্যক্রমে এখন পর্যন্ত কোনো বিঘ্ন ঘটেনি।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানায়, উজানের পানি আরো বাড়লে হাওড়া নদীর বাঁধ ঝুঁকিতে পড়তে পারে। এ কারণে নদীপাড়ের মানুষ আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন।

আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাপসী রাবেয়া বলেন, ‘বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। সম্ভাব্য ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের আশ্রয়ের জন্য বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।’



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews