৭৯% ঋণই খেলাপি
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ঋণের নামে বিপুল টাকা বের করে নেওয়া এবং তা পরিশোধ না করায় দুর্বল হয়ে পড়ে ১০টির মতো ব্যাংক। এর মধ্যে বেশি সমস্যাগ্রস্ত ৫টি ব্যাংককে একীভূত করার জন্য ব্যাংক রেজোল্যুশন অধ্যাদেশ জারি করা হয় ২০২৫ সালের ২৫ মে।
এই পাঁচ ব্যাংকের সম্মিলিত খেলাপি ঋণের পরিমাণ প্রায় ১ লাখ ৪৭ হাজার কোটি টাকা, যা ব্যাংকগুলোর বিতরণ করা মোট ঋণের প্রায় ৭৯ শতাংশ। সর্বোচ্চ ৯৮ শতাংশ খেলাপি ঋণের হার ইউনিয়ন ব্যাংকে। ফার্স্ট সিকিউরিটির ৯৬, গ্লোবাল ইসলামীর ৯৫, সোশ্যাল ইসলামীর ৬২ ও এক্সিম ব্যাংকের ৪৮ শতাংশ ঋণ খেলাপি।
এদিকে বিএনপি সরকার অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ১১০টি অনুমোদন করেছে। কিছু অধ্যাদেশ পাস করার সময় সংশোধনী আনা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে ব্যাংক রেজোল্যুশন অধ্যাদেশ।
বিএনপি সরকার গঠনের দেড় মাস পর অধ্যাদেশটি সংশোধনের জন্য গত ১ এপ্রিল অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. আজিম উদ্দিন বিশ্বাসকে আহ্বায়ক করে ১০ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সূত্র বলছে, কমিটির সুপারিশে পুরোনো মালিকদের ব্যাংকে ফেরার সুযোগ রাখার প্রস্তাব ছিল না। বাংলাদেশ ব্যাংকও তা জানত না। সংসদে বিল উত্থাপনের আগে শেষ মুহূর্তে ১৮ (ক) ধারা যুক্ত করা হয়।