অন্যদিকে বিএনপি তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে বলেছে, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতায় ভারসাম্য আনা হবে। তবে কীভাবে এটি করা হবে, তার বিস্তারিত সেখানে উল্লেখ করা হয়নি। এ ছাড়া দলটি তাদের ইশতেহারে উপরাষ্ট্রপতি পদ সৃষ্টির কথাও বলেছে।
বিএনপি বলে আসছে, তারা ভিন্নমতসহ যেভাবে জুলাই সনদ সই করেছে, সেভাবে বাস্তবায়ন করবে। সংবিধান সংশোধন করার লক্ষ্যে ইতিমধ্যে জাতীয় সংসদে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি কাজ শুরু করেছে। যদিও বিরোধী দল এ কমিটি প্রত্যাখ্যান করেছে। বিএনপির ভিন্নমত অনুসারে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সংবিধান সংশোধন করা হলে মানবাধিকার কমিশন, তথ্য কমিশন, প্রেস কাউন্সিল ও আইন কমিশনে স্বাধীনভাবে নিয়োগ দেওয়ার ক্ষমতা পাবেন রাষ্ট্রপতি।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়েও জুলাই সনদে প্রস্তাব আছে। এখন ভোট হয় প্রকাশ্যে। সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংসদ সদস্যরা দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে ভোট দিতে পারেন না। জুলাই সনদে সংসদের নিম্নকক্ষ ও উচ্চকক্ষের সদস্যদের গোপন ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন এবং ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করার প্রস্তাব আছে।