শেষ ষোলোর আগেই শেষ হয়ে গেল এশিয়ার বিশ্বকাপ অভিযান। চলমান আসর থেকে বিদায় নিয়েছে অংশ নেয়া সব কয়টি এশিয়ান দল। কেউ উঠতে পারেনি সেরা ষোলোতে।

এবারের যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোয় অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল এশিয়ার আট দেশ- জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, ইরান, সৌদি আরব, অস্ট্রেলিয়া, কাতার, ইরাক ও উজবেকিস্তান।

তবে এদের মাঝে নকআউট পর্বে উঠতে পেরেছিল শুধু জাপান ও অস্ট্রেলিয়া। তবে দ্বিতীয় রাউন্ডের বাধা পেরোতে পারেনি কেউই।

ব্রাজিলের কাছে হেরে সবার আগে বিদায় নেয় জাপান। এরপর টাইব্রেকারে মিসরের কাছে পরাজিত হয়ে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যায় অস্ট্রেলিয়া। এর মধ্য দিয়েই বিশ্বকাপে এশিয়ার শেষ প্রতিনিধিরও বিদায় ঘটে।

এশিয়ার জন্য এটি নিঃসন্দেহে হতাশার এক বিশ্বকাপ। ইতিহাসের দিকে তাকালেও দেখা যায়, বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ আসরে এশিয়ার সাফল্যের চেয়ে ব্যর্থতার গল্পই বেশি।

বিশ্বকাপে এশিয়ার প্রথম বড় চমক আসে ১৯৬৬ সালে। উত্তর কোরিয়া ইতালিকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে বিশ্বকে বিস্মিত করেছিল। যদিও শেষ চারে আর যাওয়া হয়নি।

তবে এশিয়ার সর্বোচ্চ অর্জন ২০০২ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার সেমিফাইনালে ওঠা। জাপানের সাথে যৌথভাবে আয়োজিত সেই আসরে ইতালি ও স্পেনকে হারিয়ে ইতিহাস গড়ে দক্ষিণ কোরিয়া।

এখনো সেটিই বিশ্বকাপে কোনো এশিয়ান দলের সেরা সাফল্য। ইরান, সৌদি আরবসহ কয়েকটি দল মাঝেমধ্যে চমক দেখালেও ধারাবাহিক সাফল্যের দেখা মেলেনি।

বিশ্ব ফুটবলে ইউরোপ ও দক্ষিণ আমেরিকার আধিপত্যের বিপরীতে এশিয়া এখনো পিছিয়ে। বিশ্বকাপের মতো প্রতিযোগিতায় সেই ব্যবধান স্পষ্ট হয়ে ওঠে।



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews