হেযবুত তওহীদের বিষয়ে হেফাজত আমির বলেন, দেশের ধর্মীয় শান্তি, সামাজিক স্থিতিশীলতা এবং আকিদাগত নিরাপত্তার স্বার্থে সরকারকে হেযবুত তওহীদের কার্যক্রম ও প্রচারণার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিতে হবে। আহমদিয়া মুসলিম জামায়াতের (কাদিয়ানী) বিষয়ে আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী বলেন, কাদিয়ানীদের রাষ্ট্রীয়ভাবে অমুসলিম ঘোষণা করতে হবে।
কনভেনশনে হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব আল্লামা সাজিদুর রহমান বলেন, হেযবুত তওহীদ পাশের কোনো দেশের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে। এই সংগঠনকে অতি দ্রুত নিষিদ্ধ করতে হবে। ট্রান্সজেন্ডার আইন বাস্তবায়ন হতে দেওয়া হবে না বলেও হুঁশিয়ার উচ্চারণ করেন তিনি।
ভ্রান্ত মতাদর্শের বিষয়ে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে উল্লেখ করে সাজিদুর রহমান বলেন, সরকার যেন কোরআন-সুন্নাহবিরোধী কোনো আইন পাস না করে। সংখ্যাগরিষ্ঠ আলেমদের পরামর্শ নিয়ে যেন ধর্মীয় বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়।
হেফাজতে ইসলামের নায়েবে আমির আল্লামা আবদুল হামিদ (মধুপুরের পীর) বলেন, যারা সাহাবায়ে কেরামকে সত্যের মাপকাঠি হিসেবে গণ্য করে না, তারা ইসলামের শত্রু। জামায়াত কোনো দিন ইসলামের কাজ করেনি। তিনি সরকারের কাছে শামীম কায়সার লিংকনকে অন্য মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রিত্ব দিয়ে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী হিসেবে হানাফি মাজহাবের যোগ্য কাউকে নিয়োগ দেওয়ার দাবি জানান।