ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা মোখা বন্দর দখল করেছে এবং এখন বাব আল–মানদেব প্রণালির মূল নৌপথ নিয়ন্ত্রণের হুমকি দিচ্ছে। তারা সৌদি আরবের বেশ কয়েকটি শহরেও হামলা চালিয়েছে, যার ফলে নারী–শিশুসহ প্রায় ৭০ জন আহত হয়েছে। সৌদি আরবের জ্বালানি, বেসামরিক ও প্রতিরক্ষা স্থাপনায় ধারাবাহিক হামলার পাশাপাশি ইরান ও তার ইয়েমেনি সহযোগী হুতিদের সামুদ্রিক অবরোধের কারণে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত ‘মক্কা চুক্তি’ সচল হওয়ার বিষয়টি সরাসরি সামনে চলে এসেছে।

সৌদি আরবে হুতিদের হামলা পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তিকে সক্রিয় করতে পারে। আর যদি তা হয়, তাহলে পাকিস্তান ও তুরস্কের পদক্ষেপ বা হস্তক্ষেপ ঠিক কেমন হতে পারে? এ প্রশ্নের উত্তর পেতে হলে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রেক্ষাপট জানা প্রয়োজন।

উপসাগরীয় দেশগুলোর প্রধান নিরাপত্তা অংশীদার যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরেই ইঙ্গিত দিয়ে আসছে যে তারা চায় আঞ্চলিক দেশগুলো তাদের নিজস্ব প্রতিরক্ষা ও প্রতিরোধের মূল দায়িত্ব নিজেরাই নিক; সে ক্ষেত্রে মার্কিন সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ হলেও তা থাকবে সীমিত। মাঠপর্যায়ে ইতিমধ্যে সে অবস্থানের প্রভাব দেখা যাচ্ছে। ইরানে মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র তার আঞ্চলিক অংশীদারদের জন্য সর্বাত্মক প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করতে পারেনি।



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews