বিদ্যালয়ে প্রাথমিক স্তরে শিশুদের ভর্তিতে আবারও ভর্তি পরীক্ষা চালুর আলোচনা শুরু হয়েছে। বিষয়টি গতকাল রোববার জাতীয় সংসদেও ওঠে। তবে শিক্ষাবিদ ও শিক্ষাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা সতর্ক করে বলেছেন, লটারির পরিবর্তে আবার পরীক্ষাপদ্ধতি চালু করা হলে শিশুদের ওপর অপ্রয়োজনীয় চাপ বাড়বে এবং কোচিং-প্রাইভেটের প্রবণতা নতুন করে মাথাচাড়া দেবে।
সংসদে কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনের সংসদ সদস্য জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা হাসনাত আবদুল্লাহর এক প্রশ্নের জবাবে সংসদে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, বিগত সরকার শিক্ষার্থীদের ভর্তির ক্ষেত্রে লটারিব্যবস্থা চালু করেছিল। তাঁর কাছে এটি খুব যুক্তিসংগত মনে হয়নি। আগামী শিক্ষাবর্ষে ভর্তির পদ্ধতি নির্ধারণের জন্য অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে সবার অভিমত নিয়ে বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
আজকের অনুষ্ঠানে রাশেদা কে চৌধূরীর প্রস্তাব ছিল, লটারি ও মেধা—দুই পদ্ধতির সমন্বয়ে একটি ‘মিশ্র ভর্তিব্যবস্থা’ বিবেচনা করা যেতে পারে। পাশাপাশি নির্দিষ্ট এলাকার শিক্ষার্থীদের জন্য কোটা বাড়ানোর কথাও বলেন তিনি।