তবে ঘড়ি কিনে শোরুম থেকে বেরিয়ে এলেও পছন্দের সেই দামি ঘড়িটির দিকে বারবার তাকাচ্ছিলেন সোহেল রানা। বিষয়টি খেয়াল করেছিলেন ছোট ভাই রুবেল। এরপর কেটে গেছে প্রায় চার দশক। সোহেল রানা ভুলে গেলেও রুবেলের মনে রয়ে যায় সেই ঘটনা। সোহেল রানা বলেন, ‘বুচারার কিনলেও পাতেক ফিলিপ ব্র্যান্ডের ঘড়ি যে বারবার দেখছিলাম, এটা আমার ছোট ভাই খেয়াল করেছিল। আজ এত বছর পর সে শুধু আমার জন্য ঘড়ি কিনতে ব্যাংককে গেছে। আমি যে ঘড়িটা সেদিন দেখেছিলাম, ওটার দাম এখন কোটি ছাড়িয়েছে।’
চার দশক আগের সেই ঘড়িটি শেষ পর্যন্ত কেনা সম্ভব হয়নি। কিন্তু বড় ভাইয়ের পছন্দের কথা ভুলে যাননি তিনি। ইউরোপিয়ান একটি দামি ব্র্যান্ডের সুন্দর ঘড়ি কিনে এনেছেন সোহেল রানার জন্য। বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকার উত্তরায় সোহেল রানার বাসায় যান রুবেল। তখনই বড় ভাইকে চমকে দেন তিনি। সোহেল রানা বলেন, ‘কথা বলার এক পর্যায়ে রুবেল বলল, ভাইয়া তোমার হাতটা দাও। আমি হাত বাড়িয়ে দিতে দেখি, একটা প্যাকেট খুলল। খুলে আমার হাতে অসাধারণ একটি ঘড়ি পরিয়ে দিল। আর বলল, পাতেক ফিলিপ তো দিতে পারলাম না, যেটা তোমার শখ ছিল—কিন্তু এটা দিলাম।’