২০০৩ সালে ‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নস অর্ডিন্যান্স’ সংশোধন করে র্যাব গঠনের আইনি ভিত্তি দেওয়া হয়েছিল। নানা কর্মকাণ্ডের কারণে বাহিনীটি সমালোচিত হয়। এখন ওই অধ্যাদেশের র্যাব-সংক্রান্ত বিধান বাদ দিয়ে র্যাব বিলুপ্ত করা এবং পৃথক এসআরবি আইন করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ওই অধ্যাদেশ রহিত করে নতুন এপিবিএন আইন করার জন্য পৃথক আরেকটি বিলও বৃহস্পতিবার সংসদে আনা হয়েছে।
মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত আইনের খসড়া পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, কাগজে ‘র্যাব’ বিলুপ্ত হলেও বাহিনীটির প্রাতিষ্ঠানিক ধারাবাহিকতার প্রায় সবই থাকছে। র্যাবের বর্তমান জনবল, ক্ষমতা, কর্তৃত্ব, সুবিধা, তহবিল, সম্পত্তি, হিসাব, নথি ও অন্যান্য সম্পদ এসআরবিতে চলে যাবে। র্যাবের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও নতুন ইউনিটের সদস্য হিসেবে গণ্য হবেন। র্যাবের দায়দায়িত্ব, চুক্তি এবং পক্ষে বা বিপক্ষে চলমান মামলাও এসআরবির নামে চলবে।
র্যাবের অতীত কর্মকাণ্ড বিবেচনায় নিয়ে জাতিসংঘ, গুম-সংক্রান্ত তদন্ত কমিশন এবং দেশি-বিদেশি মানবাধিকার সংগঠনগুলো অতীতে বিভিন্ন সময়ে বাহিনীটি বিলুপ্ত করার সুপারিশ করেছিল। মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে ২০২১ সালের ১০ ডিসেম্বর র্যাব এবং বাহিনীটির সাবেক ও তৎকালীন সাত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র।