মার্কিন প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্কের সন্তানের মা হওয়ার নেপথ্য কারণ প্রকাশ করেছেন সাবেক ম্যাগা কর্মী এশলে ক্লেয়ার। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া একাধিক পোস্টে তিনি দাবি করেন, অর্থনৈতিক নিরাপত্তা ও বড় পরিবার গড়ার ইচ্ছাই তাকে এই সিদ্ধান্ত নিতে উদ্বুদ্ধ করেছিল।
ক্লেয়ার জানান, ইলন মাস্কের সঙ্গে পরিচয়ের আগেই তিনি একজন সিঙ্গেল মা ছিলেন। আগের এক সম্পর্ক থেকে তার একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। তিনি বলেন, একসময় মাস্ক তাকে আরও সন্তান নেওয়ার জন্য উৎসাহিত করেছিলেন।
ক্লেয়ারের ভাষ্য অনুযায়ী, সেন্ট বার্টসে এক সফরের সময় মাস্ক তাকে বলেছিলেন, তার জীবনে সবচেয়ে সীমিত সম্পদ হচ্ছে ‘সময়’। তখনই তিনি অনুভব করেন, এমন একজন মানুষের সঙ্গে পরিবার গড়ার সুযোগ আকর্ষণীয়, যিনি সন্তান চান এবং আর্থিক অনিশ্চয়তা নিয়ে ভাবতে হয় না।
তিনি বলেন, ‘একজন সিঙ্গেল মায়ের জীবন খুব কঠিন। সন্তানদের খরচ চালানো যাবে কি না, সেই দুশ্চিন্তা সবসময় থাকে। তাই যখন ইলন বলেছিলেন আরও সন্তান নিতে, তখন বিষয়টি আমার কাছে আকর্ষণীয় মনে হয়েছিল।’
ক্লেয়ার আরও দাবি করেন, গর্ভধারণের আগে তাদের সম্পর্ক আবেগঘন ছিল। তবে গর্ভবতী হওয়ার পর থেকেই মাস্কের আচরণ বদলে যেতে শুরু করে।
তিনি বলেন, ‘আমি গর্ভবতী হওয়ার পর থেকেই অনেক কিছু অস্বাভাবিক লাগতে শুরু করে। আগের কথাবার্তার সঙ্গে বাস্তবতার মিল পাচ্ছিলাম না।’
আরও পড়ুন
আরও পড়ুন তৃষার ইনস্টাগ্রাম পোস্টেও থালাপতি বিজয়কে খুঁজে পেলেন ভক্তরা!

২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ক্লেয়ার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট দিয়ে জানান, তার সন্তানের বাবা ইলন মাস্ক। সন্তানের ‘গোপনীয়তা ও নিরাপত্তার’ কথা বিবেচনা করে তিনি পাঁচ মাস বিষয়টি প্রকাশ করেননি বলেও উল্লেখ করেন।
পরে এক পডকাস্টে ক্লেয়ার অভিযোগ করেন, মাস্ক প্রথমে প্রতি মাসে ১ লাখ ডলার সহায়তা দিলেও পরে তা কমিয়ে ৪০ হাজার এবং পরবর্তীতে ২০ হাজার ডলারে নামিয়ে আনেন।
ক্লেয়ার দাবি করেন, ২০২৩ সালের মে মাসে মাস্ক প্রথম তার ব্যক্তিগত বার্তায় যোগাযোগ করেন। পরে ব্যাবিলন বি’র প্রধান নির্বাহী সেথ ডিলন–এর এক সাক্ষাৎকারের সময় তাদের সরাসরি দেখা হয়।
সূত্র: এনডিটিভি