তবে কি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর অনিশ্চিত হয়ে গেল? নইলে রাষ্ট্রপতি ভবনের এমন ঘোষণা আসবেই–বা কেন এবং এক ঘণ্টার মধ্যে তা প্রত্যাহারই–বা কেন করে নেওয়া হবে? শুক্রবার দুপুরে এটাই ছিল তুমুল জল্পনার বিষয়। যদিও রাষ্ট্রপতি ভবনের ঘোষণার নেপথ্য কারণ রহস্যাবৃত রইল।
তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে কয়েক দিন ধরেই দুই দেশের কূটনৈতিক মহল সরগরম। একটা সময় মনে করা হচ্ছিল, ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচে বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে যোগ দেওয়ার আগেই দ্বিপক্ষীয় সফরে ভারতে আসবেন তারেক রহমান। সেই সম্ভাবনা জোরালো হওয়ার সময়েই বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে ভারতে আশ্রয়প্রাপ্ত দণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আচরণ নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তোলা হয়। ভারতে আশ্রিত হাসিনার ভবিষ্যৎ আচরণ সম্পর্কে কিছু নিশ্চয়তা বা শর্তও আরোপ করা হয় বাংলাদেশের পক্ষ থেকে। তার পর থেকেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর ঘিরে জল্পনা থিতিয়ে যায়। এ পরিস্থিতিতে শুক্রবার বেলা দুইটা নাগাদ চলে আসে রাষ্ট্রপতি ভবনের ঘোষণা এবং তারই ওপর ভিত্তি করে প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরোর (পিআইবি) বিজ্ঞপ্তি।