লা লিগার ২০২৫-২৬ মৌসুমে বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতেছেন বার্সেলোনার তরুণ তারকা লামিন ইয়ামাল। রিয়াল মাদ্রিদের ফরাসি ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপ্পেকে পেছনে ফেলে এই সম্মান অর্জন করেন তিনি। বার্সেলোনাকে টানা দ্বিতীয়বারের মতো লিগ শিরোপা জেতাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ তার হাতে তুলে দেওয়া হয় ‘প্লেয়ার অব দ্য সিজন’ পুরস্কার।
মাত্র ১৮ বছর বয়সেই অসাধারণ নৈপুণ্য ও ধারাবাহিক পারফরম্যান্সে ফুটবল বিশ্বকে মুগ্ধ করেছেন ইয়ামাল। পুরো মৌসুমে তিনি ১৬টি গোল করার পাশাপাশি সতীর্থদের জন্য আরও ১২টি গোলের সুযোগ তৈরি করেন। তার দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের ওপর ভর করে বার্সেলোনা ৯৪ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষস্থান ধরে রেখে নিজেদের ২৯তম লা লিগা শিরোপা নিশ্চিত করে।
মৌসুমসেরার দৌড়ে ইয়ামালের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এমবাপ্পে ছাড়াও মায়োর্কার ভেদাত মুরিকি, রিয়াল বেতিসের পাবলো ফরনালস এবং ভিয়ারিয়ালের নিকোলাস পেপে। তবে সমর্থক, ক্লাব অধিনায়ক ও বিশেষজ্ঞদের ভোটে সবার চেয়ে বেশি সমর্থন পেয়ে বিজয়ী হন বার্সেলোনার এই তরুণ উইঙ্গার।
আরও পড়ুন
আরও পড়ুন বিশ্বকাপের আগে তারকাকে হারানোর শঙ্কায় জার্মানি

যদিও ২৫ গোল করে লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতার স্বীকৃতি ও পিচিচি ট্রফি জিতেছেন এমবাপ্পে, দলগত সাফল্যে পিছিয়ে থাকায় তিনি বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার পাননি। অন্যদিকে, ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো লা লিগার সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হওয়ার গৌরব অর্জন করেন ইয়ামাল। গত মৌসুমে এই পুরস্কার জিতেছিলেন তার সতীর্থ রাফিনিয়া।
চোটের কারণে ইয়ামাল মৌসুমের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ খেলতে পারেননি। কুঁচকি ও হ্যামস্ট্রিংয়ের সমস্যার কারণে তিনি লিগে মোট ২৮টি ম্যাচে অংশ নেন। এপ্রিলের শেষ দিকে সেল্টা ভিগোর বিপক্ষে হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পাওয়ার পর মৌসুমের শেষ ছয় ম্যাচে তাকে মাঠের বাইরে থাকতে হয়।
এই চোটের কারণে বিশ্বকাপে তার অংশগ্রহণ নিয়েও শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত স্পেনের বিশ্বকাপ দলে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। স্পেনের কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে আশা করছেন, আগামী ১৫ জুন কেপ ভার্দের বিপক্ষে দলের প্রথম ম্যাচে পুরোপুরি ফিট অবস্থায় মাঠে নামবেন ইয়ামাল।