ইরানে সাম্প্রতিক অস্থিরতা শাসনব্যবস্থার কোনো পরিবর্তন ঘটায়নি। আবার সেখানে ভেনেজুয়েলার মতো কোনো অভ্যুত্থানের পথও তৈরি করেনি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ইরানি নিরাপত্তা বাহিনী কঠোর পন্থা নেয়। ইন্টারনেট বন্ধ করা হয় এবং বিক্ষোভের সরাসরি সম্প্রচার সীমিত করা হয়, যেন আন্দোলন আর ছড়িয়ে না পড়ে। একই সঙ্গে হাজার হাজার স্যাটেলাইটনির্ভর স্টারলিংক ডিভাইস নিষ্ক্রিয় করা হয়।

ইরানের রাস্তায় কী ঘটেছে, কেন ঘটেছে, কতজন বিক্ষোভকারী ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য নিহত হয়েছেন—এসব বিষয়ে ভিন্ন ভিন্ন বয়ান রয়েছে। তবে একটি অনুমান মোটামুটি নিশ্চিত, নিহতের সংখ্যা ছিল ভয়াবহ রকম বেশি। আগামী কয়েক সপ্তাহে হয়তো আরও স্পষ্ট তথ্য সামনে আসবে।

ইসরায়েলের জোরালো তাগিদ সত্ত্বেও তেহরানের শীর্ষ নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র কোনো সামরিক হামলা চালায়নি। এর কারণ স্পষ্ট নয়। হয়তো ওই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের পর্যাপ্ত সামরিক সক্ষমতা ছিল না, অথবা সেনাবাহিনী প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দ্রুত ও নিরঙ্কুশ বিজয়ের নিশ্চয়তা দিতে পারেনি।



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews