দ্বিতীয় ইনিংসেও শতরানের জুটি উপহার দিয়েছেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুমিনুল হক। দারুণ ব্যাটিংয়ে নিরাপদ লিড নিয়ে সম্ভাবনাও হয়ত জেগেছিল ইনিংস ঘোষণার। কিন্তু সেই সম্ভাবনায় জল ঢেলে দিল বেরসিক বৃষ্টি। দিনের অর্ধেক খেলাই হতে পারেনি বৃষ্টির কারণে।
মিরপুর টেস্টের চতুর্থ দিন খেলা হতে পেরেছে স্রেফ ৪৮.৪ ওভার। দিন শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ১৫২ রান। প্রথম ইনিংসের লিড মিলিয়ে হাতে ৭ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশ ১৭৯ রানে এগিয়ে।
প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান শান্ত ১০৫ বলে ৫৮ এবং মুশফিক ৩১ বলে ১৬ রানে ব্যাট করছেন।
মিরপুর টেস্টের চতুর্থ দিন দ্রুতই ফেরেন দুই ওপেনার সাদমান ইসলাম ও মাহমুদুল হাসান জয়। মোহাম্মাদ আব্বাসের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে যান মাহমুদুল হাসান জয় (২৬ বলে ৫)। হাসান আলির বাড়তি লাফানো বলে গালিতে ধরা পড়েন সাদমান ইসলাম (২২ বলে ১০)।
২৩ রানে ২ উইকেট হারানোর পর আবার দলকে এগিয়ে নেন শান্ত ও মুমিনুল। মধ্যাহ্নভোজের পর আর খেলা শুরু করা যায়নি। দ্বিতীয় সেশনের পুরোটাই বৃষ্টিতে ভেসে যায়।
প্রথম ইনিংসে ৯১ রানের পর এবার দুই দফায় জীবন পেয়ে ৫৬ রানে আউট হন মুমিনুল। সেই ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান শান্ত এবার অপরাজিত ৫৮ রানে। দেশের তৃতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে ৫ হাজার টেস্ট রানও পূর্ণ হয় তখনই। একটু পরই বিদায় নেন তিনি শাহিন শাহ আফ্রিদির শিকার হয়ে।
তার বিদায়ে ভাঙে তৃতীয় উইকেটে ১৯৩ বলে ১০৫ রানের জুটি।
এরপর শান্ত ও মুশফিকুর রহিমের জুটি জমে ওঠার মুখে আলোকস্বল্পতায় ১৫ মিনিট আগে শেষ হয়ে যায় খেলা।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৪১৩
পাকিস্তান ১ম ইনিংস: ৩৮৬
বাংলাদেশ ২য় ইনিংস: ৫০.৩ ওভারে ১৫২/৩ (আগের দিন ৭/০) (জয় ৫, সাদমান ১০, মুমিনুল ৫৬, শান্ত ৫৮*, মুশফিক ১৬*; আফ্রিদি ১২-২-৩৯-১, আব্বাস ১৪-৩-৩৫-১, হাসান ১১.৩-২-২৩-১, সালমান ৫-০-১৮-০, হাসান ৮-০-৩২-০)।