আফ্রিকার দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ নাইজেরিয়ায় গত এক বছরে ১৩ হাজারের বেশি সন্ত্রাসীকে নির্মূল করেছে দেশটির সেনাবাহিনী।
নাইজেরিয়ার ‘গণতন্ত্র দিবস’ উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রেসিডেন্ট বোলা আহমেদ টিনুবু এ কথা জানান। শুক্রবার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রেসিডেন্ট টিনুবু বলেন, ২০২৩ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে সশস্ত্র বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ৮১ শতাংশ কমেছে। ২০২৩ সাল থেকে ‘অপারেশন সেফ করিডোর’ কর্মসূচির এক লাখ ২৪ হাজার সন্ত্রাসী অস্ত্র সমর্পণ করেছে। এই কর্মসূচির আওতায় দেশটিতে স্বেচ্ছায় অস্ত্র সমর্পণ এবং সংশ্লিষ্টদের পুনর্বাসন করা হয়।
দেশটিতে ১৯৯৯ সালে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং কয়েক বছরের সামরিক শাসনের অবসানের স্মরণে এ দিবসটি পালন করা হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আফ্রিকার দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ নাইজেরিয়া বর্তমানে ক্রমবর্ধমান নিরাপত্তা সংকটে রয়েছে। দেশটিতে আল কায়েদা এবং ইসলামিক স্টেট সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠীগুলোর পাশাপাশি বিভিন্ন অপরাধী চক্র মুক্তিপণের জন্য সাধারণ মানুষকে অপহরণ করে চলেছে। স্কুল, গির্জা ও মসজিদের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাও এসব ঝুঁকিতে রয়েছে।
এ ছাড়া দেশটিতে সশস্ত্র গোষ্ঠীর কার্যক্রম শুরুতে উত্তরাঞ্চলে সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু বর্তমানে তারা ঘন বনাঞ্চল ব্যবহার করে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলেও হামলা শুরু করেছে।
সরকারি কর্মকর্তারা বলছেন, সেনাবাহিনীর অভিযানের কারণে গোষ্ঠীগুলো পুরনো জায়গা ছেড়ে নতুন করে ঘাঁটি বানিয়েছে।
বিডি প্রতিদিন/নাজিম