কিন্তু শব্দ তো শুধু একটা সমস্যা। আসল ‘খলনায়ক’ তো উচ্চতা! মেক্সিকো সিটির গড় উচ্চতা প্রায় সাড়ে ৭ হাজার ফুট। এত বেশি উচ্চতায় খেলোয়াড়দের শারীরিকভাবে মানিয়ে নিতে সাধারণত দরকার হয় দুই সপ্তাহের মতো সময়। ইংল্যান্ড পেয়েছে মোটে দুই দিন। টুখেল নিজেই বলছেন, এই অল্প সময়ে মেক্সিকো সিটির এই উচ্চতার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া প্রায় অসম্ভব।

ঘরের মাঠের দর্শক আর উচ্চতার সুবিধা নিয়েই হয়তো পুরো টুর্নামেন্টে মেক্সিকো খেলছে দুর্দান্ত। ৪০ বছরে প্রথম জয় পেয়েছে নকআউটে, চার ম্যাচে গোল হজম করেনি একটিও। আজতেকায় মেক্সিকোর রেকর্ডও অবিশ্বাস্য—৮৯ ম্যাচে হার মাত্র ২টি। বিশ্বকাপের ১০ ম্যাচের কোনোটিতেই হারেনি এই মাঠে। উল্টো ইংল্যান্ডের আজতেকাতে একটা তিক্ত স্মৃতি আছে, ১৯৮৬ বিশ্বকাপের যে কোয়ার্টার ফাইনালটি পরিচিত ডিয়েগো ম্যারাডোনার ম্যাচ হিসেবে। প্রথমে ‘হ্যান্ড অব গড’, এর কিছুক্ষণ পরই সেই গোল—যেটিকে অনেকে বলেন ‘গোল অব দ্য সেঞ্চুরি’।

টুখেলের জন্য সবচেয়ে বড় চিন্তা, ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচের পর ইংল্যান্ড ক্রমে বিবর্ণ হয়েছে। কঙ্গোর বিপক্ষে হ্যারি কেইন ত্রাতা হয়ে দেখা না দিলে হয়তো ভেস্তেই যেত ‘ইটস কামিং হোমের’ স্বপ্ন। এত এত বাধার সামনে দাঁড়িয়েও কেইনের কথাটা আশা দেখাতে পারে ইংলিশদের, ‘পরিস্থিতি যা–ই হোক না কেন, যে সুযোগই পাই না কেন, আমার মনে হচ্ছে মাঠে নামলে আমি গোল করতে পারব।’



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews