বিনোদন ডেস্ক
‘বাটওয়ারা ১৯৪৭’ ছবির মাধ্যমে দীর্ঘদিন পর বড় পর্দায় ফিরছেন অভিনেত্রী প্রীতি জিন্টা। মুম্বাইয়ে একান্ত আড্ডায় নিজের অভিনয়ে ফেরা, মাতৃত্ব, পরিবার ও বর্তমান প্রজন্মের তারকাদের জীবন নিয়ে নানা কথা বলেছেন তিনি।
অনেক দিন পর পর্দায় ফিরছেন। ক্যামেরাকে এতদিন মিস করেননি?
সত্যি বলতে, খুব একটা মিস করিনি। ওই সময়টা পরিবার, সন্তান ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়েই সুখে কাটিয়েছি। ক্যারিয়ারের সব অর্জনের চেয়ে আমার কাছে পরিবারই বড়। তবে অভিনয়ের চেয়ে দেশকে বেশি মিস করেছি।
দীর্ঘ সময় পর সেটে ফেরার অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?
সম্পূর্ণ আলাদা। এটি আমার প্রথম পিরিয়ড ফিল্ম। একজন মা ও গৃহিণী হিসেবে ছবির চরিত্রটির সঙ্গে নিজেকে সহজেই মিলিয়ে নিতে পেরেছি।
মা হওয়ার পর জীবনে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন কী এসেছে?
জীবনকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গিই বদলে গেছে। আগে নিজের ইচ্ছা ও সিদ্ধান্তই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এখন সন্তানরাই সবার আগে।
আজকের প্রজন্মের অভিনেতাদের নিয়ে কী বলবেন?
আগে দর্শক অভিনেতাদের শুধু পর্দার চরিত্র হিসেবেই চিনতেন। বাস্তব জীবনে অভিনেতারা কেমন, সে সম্পর্কে তাঁদের তেমন ধারণা ছিল না। কিন্তু এখন সোশ্যাল মিডিয়া সেই অভ্যাস বদলে দিয়েছে। তারকাদের জীবন এখন খোলা খাতার মতো।
আপনার অনেক ছবির চরিত্র ও সংলাপ এখনও দর্শকের মনে আছে। বিষয়টি কেমন লাগে?
এটা আমার কাছে ভীষণই স্পেশাল। খুব কম মানুষই আমাকে ‘প্রীতি’ বলে ডাকেন। বেশির ভাগই ‘নয়না’ বা ‘জারা’ নামে ডাকেন। (হাসি)
আপনি এখন ভারতের বাইরে থাকেন।
সন্তানদের কীভাবে ভারতীয় সংস্কৃতি ও মূল্যবোধ শেখাচ্ছেন?
আমার সন্তানরা অর্ধেক ভারতীয়, অর্ধেক আমেরিকান। তবে সাংস্কৃতিকভাবে তারা ভারতীয় মূল্যবোধ নিয়েই বড় হচ্ছে। আমি চাই, তারা ভারত ও আমেরিকা—দুই দেশেরই ভালো দিকগুলো শিখুক। মা হওয়ার পর বুঝেছি, একজন অভিভাবকের অনেক সীমাবদ্ধতা থাকে। তাই মা হিসেবে আমি শুধু নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করি। কারণ সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করা কখনোই সম্ভব নয়।