রাশেদ খাঁন বলেন, জামায়াত নেতা হামিদুর রহমান আযাদ ভাইয়ের সুস্থতার জন্য দোয়া করি। তবে একটা জিনিস খুবই খারাপ লাগল, সাংবাদিক সম্মেলন চলাকালীন সময়ে তিনি অসুস্থ হওয়ার পরে তার প্রতি জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেলের যে সহানুভূতি দেখানো দরকার ছিল, সেটা পরিলক্ষিত হয়নি। এমনকি ২ জন সিনিয়র নেতা তাকে ধরার পর সাথে সাথে অন্যদের কাছে হ্যান্ডওভার করে এবং তারা আবারও সাংবাদিক সম্মেলনে দাঁড়িয়ে যায়। এই দৃশ্য দেখে মনে হলো, সহযোদ্ধাকে রক্ষা করে হাসপাতালে নেওয়ার চেয়ে তাদের মিডিয়া ফুটেজ আগে দরকার। দীর্ঘদিনের সহযোদ্ধার প্রতি সবার কেমন যেন একধরনের অবহেলা পরিলক্ষিত হলো!