‘কারও অধীনতা আর মেনে নেব না’
ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে শফিকুর রহমান বলেন, প্রতিবেশী দেশ হিসেবে ভারতের অবদান অস্বীকার করেন না তাঁরা। তবে কোনো অপরাধী বা খুনিকে ভারতে আশ্রয় দেওয়া কিংবা সেখান থেকে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার সুযোগ দেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়।
সীমান্ত হত্যাকাণ্ড বন্ধের দাবি জানিয়ে বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, ফেলানীর মতো আর কোনো বাংলাদেশি নাগরিকের লাশ কাঁটাতারে ঝুলতে দেখতে চাই না।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে বিগত আমলের সমালোচনা করে শফিকুর রহমান বলেন, অন্য দেশের কথামতো চলার দিন শেষ হয়ে গেছে। তিনি বলেন, ‘এখানে আলোচনা হবে, লড়াই হবে সমানে সমান। আমরা কারও অধীনতা আর মেনে নেব না। বাংলাদেশ আর কারও অধীনে তার পররাষ্ট্রনীতি পরিচালনা করবে না। ওই চ্যাপটার ক্লোজ, ওইটা আর রি-ওপেন হবে না।’
গঙ্গা পানিচুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়া এবং এর নবায়নের প্রসঙ্গ তুলে ধরে সরকারকে এখন থেকেই শক্ত অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান বিরোধীদলীয় নেতা। একই সঙ্গে উত্তরবঙ্গের দীর্ঘদিনের তিস্তা সংকটের সমাধানের জন্যও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানান।