মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ইরানের ওপর নতুন করে একগুচ্ছ নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছেন। এ পদক্ষেপের নাম দেওয়া হয়েছে ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’। এর আওতায় প্রায় ৬০টি প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তি ও নৌযানকে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি জাহাজ চলাচল, সোনা, উড়োজাহাজ, প্রযুক্তি ও ডিজিটাল সম্পদের ওপর পরোক্ষ নিষেধাজ্ঞার (সেকেন্ডারি স্যাংশন) পরিধি আরও বাড়ানো হয়েছে।
স্কট বেসেন্ট বলেন, তেহরান সরকারকে টিকিয়ে রাখা প্রতিটি অর্থনৈতিক ‘লাইফলাইন’ ছিন্ন করাই তাঁদের লক্ষ্য, যাতে দেশটি একঘরে হয়ে পড়ে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের ফোন করছেন। তিনি তাঁদের কাছে ইরানের সঙ্গে লেনদেন বন্ধ করার সুনির্দিষ্ট অনুরোধ জানাচ্ছেন। তবে ট্রাম্প কোনো দেশের নাম উল্লেখ করেননি বা কোনো সময়সীমাও বেঁধে দেননি।
ট্রেড ডেটা মনিটরের সংকলিত সরকারি কাস্টমস তথ্যের ভিত্তিতে ইরানের শীর্ষ বাণিজ্য অংশীদারদের একটি চিত্র তুলে ধরা হলো। তবে এ হিসাবে ইরানের তেল রপ্তানির বড় অংশটি বাদ পড়েছে। কারণ, এসব লেনদেন কাস্টমসের খাতায় নথিবদ্ধ থাকে না।