প্রধান কার্যালয় স্থানান্তরে প্রিমিয়ার ব্যাংকের বছরে সাশ্রয় হবে ৫৫ কোটি টাকা। অভিযোগ রয়েছে, নিজের ভবনের জায়গা নিজের নিয়ন্ত্রণে থাকা ব্যাংককে ভাড়া দিয়ে ভাড়া বাবদ বাজারের চেয়ে বেশি অর্থ আদায় করে আসছিলেন আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য এইচ বি এম ইকবাল। ব্যাংকটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ ঘটনা ঘটছে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে টানা ২৬ বছর প্রিমিয়ার ব্যাংকের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে ছিলেন এইচ বি এম ইকবাল। ২০২৪ সালের আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তিনি প্রিমিয়ার ব্যাংক ছেড়ে দেন। এরপর নতুন পরিচালনা পর্ষদ বিষয়টি জানতে পেরে ভবনটি ছেড়ে নতুন ভবনে যাওয়ার উদ্যোগ নেয়। এ ছাড়া এইচ বি এম ইকবালের সংশ্লিষ্টতা থাকায় ব্যাংকটির গুলশান ও বারিধারা শাখাও সরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ফলে ব্যাংকটির ভবন ভাড়া খরচ অর্ধেকে নেমে আসবে বলে বর্তমান কর্তৃপক্ষ মনে করছে।
এ বিষয়ে প্রিমিয়ার ব্যাংকের চেয়ারম্যান আরিফুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা ব্যাংকটিকে শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করানোর চেষ্টা করছি। এ জন্য কর্মপরিবেশ উন্নত করতে প্রধান কার্যালয়সহ একাধিক শাখা স্থানান্তর করা হচ্ছে। আগে ভবনের ভাড়া অনেক বেশি দিতে হতো। এখন তা কমে আসছে। এতে ব্যাংকটির কর্মপরিবেশ উন্নত হবে। পাশাপাশি খরচও কমে আর্থিক সূচকের উন্নতি ঘটবে।’