মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সুরক্ষা বলয়ে চিড় : উপসাগরীয় রাজনীতির নতুন বাস্তবতা

মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে বহু দশক ধরে একটি অলিখিত কিন্তু দৃঢ় বিশ্বাস কাজ করেছে- উপসাগরীয় রাজতন্ত্রগুলো, বিশেষত উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ বা জিসিসিভুক্ত দেশগুলো, পশ্চিমা শক্তির নিরাপত্তাছাতার নিচে অবস্থান করায় আঞ্চলিক সংঘাতের ভয়াবহতা থেকে তুলনামূলকভাবে সুরক্ষিত। সৌদি আরব, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, বাহরাইন ও ওমান নিজেদের শুধু অর্থনৈতিক শক্তি হিসেবেই নয়, বরং ‘স্থিতিশীলতার দ্বীপ’হিসেবেও বিশ্বে তুলে ধরেছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক মার্কিন-ইসরায়েলি ইরানবিরোধী সামরিক অভিযানের পর যে বাস্তবতা সামনে এসেছে, তা এই দীর্ঘদিনের ধারণাকে গভীরভাবে নাড়িয়ে দিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সুরক্ষা বলয়ের ভেতর যে বড় ধরনের চিড় সৃষ্টি হয়েছে, তা এখন আর কেবল রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের পর্যবেক্ষণ নয়; বরং বাস্তবতার নিরিখে উপসাগরীয় জনগণের তিক্ত অভিজ্ঞও। এমন বাস্তবতা তাদের সবকিছুই নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে।

উল্লেখ্য, অপারেশন ‘এপিক ফিউরি” শুরু হওয়ার পর থেকে উপসাগরীয় অঞ্চলে যে আতঙ্ক, অনিশ্চয়তা ও নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে, তা শুধু সামরিক পরিসরে সীমাবদ্ধ নয়; এটি অর্থনীতি, ক‚টনীতি, জ্বালানি নিরাপত্তা, সামাজিক স্থিতি এবং জনগণের মনস্তত্ত¡ পর্যন্ত বিস্তৃত। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই যুদ্ধটি জিসিসিভুক্ত দেশগুলোর কেউ শুরু করেনি, এমনকি তাদের জনগণের সম্মতিও এতে ছিল না। কিন্তু যুদ্ধের বড় মূল্য তারাই দিচ্ছে। এই বাস্তবতা উপসাগরীয় শাসকদের সামনে এক নির্মম প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছে- যে শক্তিকে তারা এতদিন নিরাপত্তার নিশ্চয়তা হিসেবে দেখেছে, সেই শক্তি আদৌ কি তাদের রক্ষা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, নাকি কেবল নিজেদের কৌশলগত স্বার্থ রক্ষায় তাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করছে?

উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতির ইতিহাস দীর্ঘ। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে বিশেষ করে তেলের রাজনীতি ও শীতল যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র ধীরে ধীরে এই অঞ্চলে নিজেদের নিরাপত্তা প্রভাব বিস্তার করে। ১৯৯১ সালের উপসাগরীয় যুদ্ধের পর তা আরো গভীর হয়। কাতারের আল উদেইদ বিমানঘাঁটি, বাহরাইনে মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহর, কুয়েতে সামরিক অবকাঠামো কিংবা সৌদি আরবে বিভিন্ন প্রতিরক্ষা সহযোগিতা- সব মিলিয়ে উপসাগরীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে যুক্তরাষ্ট্র। এই সম্পর্কের বিনিময়ে উপসাগরীয় দেশগুলো মার্কিন অস্ত্র কিনেছে শত শত বিলিয়ন ডলারের, তাদের বাজার পশ্চিমা বিনিয়োগের জন্য উন্মুক্ত রেখেছে এবং আঞ্চলিক ক‚টনীতিতেও ওয়াশিংটনের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়েছে।

কিন্তু ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হলো, পরাশক্তির সঙ্গে সম্পর্ক কখনোই সমান মর্যাদার ভিত্তিতে গড়ে ওঠে না। শক্তিধর রাষ্ট্র সবসময় নিজের স্বার্থকেই প্রাধান্য দেয়। মার্কিন প্রশাসন যখন ইসরায়েলের সঙ্গে যৌথভাবে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করল, তখন উপসাগরীয় দেশগুলোর নিরাপত্তা ও জনগণের সুরক্ষা যে অগ্রাধিকারের তালিকায় ছিল না, তা খুব দ্রুত স্পষ্ট হয়ে যায়। যুদ্ধ শুরুর সঙ্গে সঙ্গেই বহু মার্কিন কর্মকর্তা ও সেনাসদস্যকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়, অথচ উপসাগরীয় জনগণকে রেখে যাওয়া হয় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঝুঁকির মুখে। এই দৃশ্য শুধু কৌশলগত ব্যর্থতার প্রতীক নয়; এটি এক ধরনের নৈতিক দেউলিয়াত্বেরও প্রকাশ।

উপসাগরীয় দেশগুলো বহুবছর ধরে নিজেদের আধুনিকতা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও নিরাপত্তার গল্প দিয়ে বিশ্বকে আকৃষ্ট করেছে। দুবাইয়ের আকাশচুম্বী অট্টালিকা, দোহার বিশ্বমানের অবকাঠামো, রিয়াদের উচ্চাভিলাষী ‘ভিশন ২০৩০’-সবই এমন এক বার্তা দিয়েছে যে উপসাগরীয় অঞ্চল মধ্যপ্রাচ্যের বাকি অংশের অস্থিতিশীলতা থেকে আলাদা। কিন্তু সাম্প্রতিক সংঘাত দেখিয়ে দিয়েছে, ভৌগোলিক বাস্তবতা থেকে কোনো অঞ্চল চিরকাল বিচ্ছিন্ন থাকতে পারে না। উপসাগরীয় দেশগুলো ইরানের খুব কাছেই অবস্থিত, তাদের আকাশসীমা ও সামরিক অবকাঠামো মার্কিন অভিযানের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, ফলে যুদ্ধের প্রতিশোধমূলক আঘাতও স্বাভাবিকভাবেই তাদের ওপর এসে পড়ে।

এখানে সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হলো, জিসিসিভুক্ত দেশগুলোর সাধারণ মানুষ এখন বুঝতে শুরু করেছে যে নিরাপত্তা কেবল উন্নত অস্ত্র বা বিদেশি সামরিক ঘাঁটির ওপর নির্ভর করে না। প্রকৃত নিরাপত্তা আসে রাজনৈতিক স্বাধীনতা, আঞ্চলিক ভারসাম্য এবং জনগণের আস্থাভিত্তিক রাষ্ট্রীয় কাঠামো থেকে। যখন একটি রাষ্ট্র নিজের নিরাপত্তাকে সম্পূর্ণভাবে বহিরাগত শক্তির ওপর নির্ভরশীল করে তোলে, তখন সেই শক্তির কৌশলগত সিদ্ধান্তের ফলও তাকে বহন করতে হয়। উপসাগরীয় রাজতন্ত্রগুলো আজ সেই কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি।

কাতারের শিক্ষাবিদ নায়েফ বিন নাহারের মন্তব্য- ‘ট্রাম্প উপসাগরীয় দেশগুলোকে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের বিরুদ্ধে একাই তাদের ভাগ্য বরণ করতে ছেড়ে দিয়েছেন’- আসলে বৃহত্তর হতাশার প্রতিফলন। এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ক্ষোভ নয়; বরং উপসাগরীয় সমাজের গভীরে জমে থাকা সন্দেহের বহিঃপ্রকাশ। মার্কিন নীতিনির্ধারকদের কাছে এই অঞ্চল দীর্ঘদিন ধরে মূলত তেল, সামরিক ঘাঁটি ও ভূরাজনৈতিক অবস্থানের সমষ্টি হিসেবেই বিবেচিত হয়েছে। এখানকার মানুষের জীবন, তাদের নিরাপত্তা, তাদের সামাজিক বাস্তবতা- এসব খুব কম সময়ই পশ্চিমা কৌশলগত আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে।

এই যুদ্ধের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো ইসরায়েলের ক্রমবর্ধমান আঞ্চলিক প্রভাব। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আব্রাহাম অ্যাকর্ডসের মাধ্যমে উপসাগরীয় কয়েকটি দেশের সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্ক স্বাভাবিক হয়েছে। এই সম্পর্কের পেছনে যুক্তরাষ্ট্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। যুক্তি ছিল, অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও নিরাপত্তা অংশীদারিত্ব মধ্যপ্রাচ্যে নতুন স্থিতিশীলতা আনবে। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, ইসরায়েলের নিরাপত্তা অগ্রাধিকারকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এই জোট উপসাগরীয় দেশগুলোকে আরো ঝুঁকির মুখে ফেলেছে। কারণ ইরানের সঙ্গে সংঘাত যত বাড়বে, উপসাগরীয় অঞ্চল ততই যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হবে।

ইরানও এই পরিস্থিতিকে কৌশলগতভাবে ব্যবহার করছে। তারা সরাসরি উপসাগরীয় দেশগুলোর বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা না করলেও বারবার বুঝিয়ে দিচ্ছে যে মার্কিন ঘাঁটি ও সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো বৈধ লক্ষ্যবস্তু। ফলে উপসাগরীয় দেশগুলো এক অস্বস্তিকর অবস্থানে পড়ে গেছে। একদিকে তারা মার্কিন নিরাপত্তা কাঠামোর অংশ, অন্যদিকে তারা নিজেদের ভ‚খণ্ডকে যুদ্ধের ময়দানে পরিণত করতে চায় না। এই দ্বৈততা তাদের ক‚টনৈতিক অবস্থানকে দুর্বল করে দিচ্ছে।

অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও এর প্রভাব গভীর। উপসাগরীয় অর্থনীতি মূলত স্থিতিশীলতা, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ ও জ্বালানি রপ্তানির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু যুদ্ধপরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে বিদেশি বিনিয়োগ কমবে, পর্যটনখাত ক্ষতিগ্রস্ত হবে, বীমাব্যয় বাড়বে এবং জ্বালানি সরবরাহব্যবস্থা অনিশ্চিত হয়ে উঠবে। হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা বাড়লে বিশ্বঅর্থনীতিতেও এর অভিঘাত পড়বে। অর্থাৎ এই সংঘাত শুধু মধ্যপ্রাচ্যের সংকট নয়; এটি বৈশ্বিক অর্থনৈতিক নিরাপত্তারও প্রশ্ন।

এখানে আরেকটি নৈতিক প্রশ্নও গুরুত্বপূর্ণ। পশ্চিমাবিশ্ব প্রায়ই মানবাধিকার, গণতন্ত্র ও আন্তর্জাতিক আইন নিয়ে উচ্চকণ্ঠ থাকে। কিন্তু যখন উপসাগরীয় জনগণ যুদ্ধের ঝুঁকির মুখে পড়ে, তখন সেই একই পশ্চিমাশক্তির নীরবতা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এই নীরবতা দেখিয়ে দেয় যে, আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে মানবিকতার চেয়ে কৌশলগত স্বার্থই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ইউক্রেনযুদ্ধের সময় পশ্চিমাবিশ্ব যেভাবে ঐক্যবদ্ধ প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে, উপসাগরীয় জনগণের নিরাপত্তার প্রশ্নে সেই একই সংবেদনশীলতা দেখা যায় না। এই দ্বৈত মানদণ্ড মধ্যপ্রাচ্যের মানুষের মধ্যে পশ্চিমবিরোধী মনোভাবকে আরো উসকে দিতে পারে।

উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো- তারা কি আগের মতোই মার্কিন নিরাপত্তা কাঠামোর ওপর নির্ভর করবে, নাকি নতুন আঞ্চলিক নিরাপত্তা কৌশল গড়ে তুলবে? সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সৌদি আরব ও ইরানের মধ্যে চীনের মধ্যস্থতায় সম্পর্ক পুনঃস্থাপনের উদ্যোগ স্পষ্ট করেছে যে, উপসাগরীয় দেশগুলো বিকল্পপথ খুঁজতে শুরু করেছে। চীন ও রাশিয়ার মতো শক্তিগুলোও এখন মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের প্রভাব বাড়াতে আগ্রহী। ফলে বিশ্বরাজনীতির বহুমেরুকেন্দ্রিক বাস্তবতায় উপসাগরীয় দেশগুলো হয়তো আরো ভারসাম্যপূর্ণ কূটনীতি অনুসরণ করতে চাইবে।

তবে শুধু পরাশক্তি বদলালেই সমস্যার সমাধান হবে না। উপসাগরীয় রাষ্ট্রগুলোকে নিজেদের জনগণের অংশগ্রহণ, আঞ্চলিক সংলাপ এবং স্বনির্ভর প্রতিরক্ষা সক্ষমতার দিকেও মনোযোগ দিতে হবে। কারণ নিরাপত্তা কেবল অস্ত্রের বিষয় নয়; এটি রাজনৈতিক বৈধতা ও সামাজিক আস্থারও প্রশ্ন। জনগণ যদি মনে করে তাদের রাষ্ট্র কেবল বিদেশি শক্তির স্বার্থ রক্ষায় ব্যবহৃত হচ্ছে, তবে সেই নিরাপত্তাকাঠামো দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে না।

মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি আসলে একটি বড় ঐতিহাসিক রূপান্তরের ইঙ্গিত দিচ্ছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী যে মার্কিন নেতৃত্বাধীন আঞ্চলিক ব্যবস্থা এতদিন টিকে ছিল, তা এখন গভীর সংকটে। আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহার, ইরাকযুদ্ধের ব্যর্থতা, সিরিয়ায় জটিলতা এবং এখন উপসাগরীয় অঞ্চলে নিরাপত্তাহীনতা- সব মিলিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নিরঙ্কুশ প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এই পরিবর্তিত বাস্তবতায় উপসাগরীয় দেশগুলোকে নতুন করে ভাবতে হবে তাদের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা, অর্থনীতি ও কূটনীতি নিয়ে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, উপসাগরীয় জনগণের মধ্যে যে উপলব্ধি তৈরি হচ্ছে, তা দীর্ঘমেয়াদে রাজনৈতিক পরিবর্তনেরও ভিত্তি হতে পারে। তারা হয়তো এখন আরো জোরালোভাবে প্রশ্ন করবে- কেন তাদের ভ‚খণ্ড পরাশক্তির সামরিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার মঞ্চ হবে? কেন তাদের নিরাপত্তা অন্যের কৌশলগত হিসাবের ওপর নির্ভর করবে? কেন তাদের জীবন ও ভবিষ্যৎ আন্তর্জাতিক রাজনীতির দাবার গুটিতে পরিণত হবে?

এই প্রশ্নগুলোর উত্তর সহজ নয়। কিন্তু একটি বিষয় স্পষ্ট- মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সুরক্ষাবলয়ের যে অটুট ভাবমূর্তি এতদিন প্রচারিত হয়েছে, তাতে বড়ধরনের ফাটল ধরেছে। উপসাগরীয় দেশগুলো এখন বুঝতে শুরু করেছে, পরাশক্তির সান্নিধ্য সবসময় নিরাপত্তা দেয় না; অনেক সময় তা আরো বড় ঝুঁকির কারণ হয়ে ওঠে। যুদ্ধের আগুন যখন জ্বলে ওঠে, তখন মিত্রতা ও কৌশলগত সম্পর্কের মুখোশ দ্রুত খুলে যায়, প্রকাশ পায় নির্মম বাস্তবতা।

এই বাস্তবতা শুধু উপসাগরীয় অঞ্চলের জন্য নয়, সমগ্র বিশ্বের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের জগতে স্থায়ী বন্ধু বা শত্রু নেই- আছে কেবল স্বার্থ। আর যে রাষ্ট্র নিজের নিরাপত্তাকে পুরোপুরি অন্যের হাতে তুলে দেয়, সে শেষপর্যন্ত নিজের ভাগ্যের নিয়ন্ত্রণও হারিয়ে ফেলে। মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান সংকট সেই সত্যকেই নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে।

লেখক: সাংবাদিক, গ্রন্থকার; নির্বাহী পরিচালক, সেন্টার ফর পলিটিক্যাল স্টাডিজ এন্ড রিসার্চ (সিপিএসআর)

পূর্বকোণ/পিবি



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews