চুক্তিতে বলা হয়েছে, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলাকে তিন দেশের সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। এ ধারণাটি বড় সামরিক জোটগুলোর যৌথ প্রতিরক্ষা নীতির কাছাকাছি। তবে তিন দেশই জোর দিয়ে বলেছে, এই চুক্তির চরিত্র প্রতিরক্ষামূলক। এটি কোনো নির্দিষ্ট দেশের বিরুদ্ধে নয়।
এই চুক্তির আসল গুরুত্ব এখানেই। তিন দেশ কাকে প্রতিরোধ করতে চায়, সেটি প্রশ্ন নয়। বরং প্রশ্ন হলো, ইতিহাসের এই নির্দিষ্ট মুহূর্তে কেন প্রতিটি দেশের অন্য দুটি দেশকে প্রয়োজন হলো?
সৌদি আরব স্বাভাবিকভাবেই এই চুক্তি নিয়ে আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে। কিন্তু সৌদি আরবের নিরাপত্তাকে শুধু একটি দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে ভুল হবে।
সৌদি আরব এমন একটি অঞ্চলের কেন্দ্রে অবস্থিত, যেখানে অসংখ্য আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক প্রকল্প, শক্তি ও স্বার্থ একে অপরের সঙ্গে মিলিত হয়েছে। ফলে দেশটির কৌশলগত পরিবেশ অত্যন্ত জটিল।
সৌদি আরবের নিরাপত্তা তাই শুধু সীমান্ত রক্ষার বিষয় নয়। এর সঙ্গে পারস্য উপসাগর, লোহিত সাগর, বাব আল-মানদেব প্রণালি এবং জ্বালানি পরিবহনপথের নিরাপত্তা জড়িত। এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো, আকাশসীমা, সাইবার নিরাপত্তা, সরবরাহব্যবস্থা এবং বড় বড় অর্থনৈতিক প্রকল্পও রয়েছে। এর বাইরেও অনেক বিষয় সৌদি নিরাপত্তার সঙ্গে সম্পর্কিত।