টিকে থাকতে জয়ের বিকল্প নেই- এমন সমীকরণের সামনে ব্যাট হাতে রানে ফিরলেন আভিষেক শর্মা। অবিচ্ছিন্ন বিস্ফোরক জুটি উপহার দিলেন হার্দিক পান্ডিয়া ও তিলাক ভার্মা। ছোট ছোট কিন্তু কার্যকর ইনিংসের অবদান রাখলেন বাকিরাও। জিম্বাবুয়ের বোলারদের গুঁড়িয়ে ভারতও পেয়ে গেল রেকর্ড সংগ্রহ।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দশম আসরে সুপার এইটে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে জিম্বাবুয়েকে ২৫৭ রানের কঠিন লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে ভারত। বিশ্বকাপে এটিই তাদের সবচেয়ে বড় সংগ্রহ।
২৫৬ রান টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপে এক ইনিংসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি এই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেই ২৫৪ রান করেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। রেকর্ড হয়নি চার রানের জন্য। ২০০৭ সালে উদ্বোধনী আসরে কেনিয়ার বিপক্ষে ২৬০ রান করেছিল শ্রীলঙ্কা।
৩০ বলে ৫৫ রান করেছেন আভিষেক। পান্ডিয়া ইনিংসের শেষ দুই বলে ছক্কা হাঁকিয়ে ২৩ বলে অপরাজিত থেকেছেন ৫০ রানে। ১৬ বলে অপরাজিত ৪৪ রান এসেছে তিলাকের ব্যাট থেকে।
সবচেয়ে ছোট ইনিংস ২৪ রানের। সবচেয়ে কম স্ট্রাইক রেট ১৫৮! ইনিংসে ছক্কা ১৭টি।
চেন্নাইয়ের এমএ চিদাম্বারাম স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাটিং পেয়ে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে ভারত। প্রথম বল ছক্কায় উড়ান সাঞ্জু স্যামসন। তবে বেশি সময় স্থায়ী হয়নি তার ইনিংস। ২৩ বলে ৪৮ রানের উদ্বোধনী জুটিতে ১৫ বলে ২৪ রান করে ফেরেন এই ওপেনার।
এরপর ইশান কিষানকে নিয়ে ৪২ বলে ৭২ রানের জুটি গড়েন আরেক ওপেনার আভিষেক। কিষান আউট হন ২৪ বলে ৩৮ রান করে।
সুরিয়াকুমার ইয়াদাভের সঙ্গে আভিষেকের জুটিটা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। তবু জুটি থেকে ৩০ রান আসে স্রেফ ১৩ বলে।
চারটি করে ছক্কা ও চারে ৩০ বলে ৫৫ রান করে ফেরেন আভিষেক। সুরিয়াকুমার ও পান্ডিয়ার জুটিতে আসে ১২ বলে ২২। ১৩ বলে ৩ চার ও ২ ছক্কায় ৩৩ রান করে ফেরেন সুরিয়াকুমার।
এরপর পঞ্চম উইকেটে পান্ডিয়া ও তিলাকের সেই ৩১ বলে অবিচ্ছিন্ন ৮৪ রানের বিস্ফোরক জুটি। দুজনেই ছক্কা হাঁকান চারটি করে।
টি-টোয়েন্টিতে জিম্বাবুয়ের হয়ে সবচেয়ে খরুচে বোলিংয়ের রেকর্ড গড়েন রিচার্ড নারাভা, ৪ ওভারে দেন ৬২ রান, পান ১ উইকেট।