‘ভাই, এটা কি ইয়াবা-সংক্রান্ত ঘটনা? ভাই, ছোট বাচ্চাটাকে কেন মারছিলেন? এই শার্টটা কি আপনার ছিল? ভাই, বিদ্যুতের লাইন কেন বন্ধ করছিলেন? ভাই, কে কে জড়িত ছিল?’
গত রোববার রাতে রংপুর মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত চাঞ্চল্যকর চার খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের জবানবন্দি শেষে আদালত থেকে কারাগারে পাঠান। সে সময় আদালত ভবন থেকে প্রিজন ভ্যানে তোলার মধ্যবর্তী পথে কয়েকজনকে উল্লিখিত প্রশ্নগুলো করতে শোনা যায়। অভিযুক্ত দুজনের কেউ কোনো কথা বলেননি।
বৃহস্পতিবার দিবাগত শেষ রাতে রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, তাঁদের স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করা সন্তান আগামী চক্রবর্তী ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ুয়া প্রিয়ম চক্রবর্তী নগরীর মাছুয়াপাড়ায় নিজ বাসায় খুন হন। শনিবার দিবাগত রাতে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।