পুলিশ, র্যাব, সামরিক বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা কিংবা কোনো শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য যদি একজন নাগরিকের মানবাধিকার লঙ্ঘন করেন, সে ক্ষেত্রে ওই নাগরিক জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে অভিযোগ জানাতে পারেন। তিনি নিশ্চয়ই আশা করবেন, অভিযোগটি স্বাধীনভাবে তদন্ত হবে। সাক্ষ্য নেওয়া হবে, নথিপত্র সংগ্রহ করা হবে, ঘটনাস্থল পরিদর্শন হবে, প্রমাণ যাচাই হবে। অভিযোগ সত্য হলে দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা এবং ভুক্তভোগীর ক্ষতিপূরণের সুপারিশ করা হবে।
কিন্তু ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০২৬’-এর খসড়ায় এই সুরক্ষা পাওয়ার সুযোগ নেই। কারণ, অভিযোগটি যদি কোনো শৃঙ্খলা বাহিনী বা তার সদস্যের বিরুদ্ধে হয়, তাহলে কমিশন নিজে স্বাধীনভাবে তদন্ত করতে পারবে না। প্রথমে তাকে অভিযুক্ত বাহিনী বা প্রতিষ্ঠানের কাছেই ঘটনার প্রতিবেদন চাইতে হবে। এখানেই জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইনের খসড়াটি নিয়ে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।