সহসাই জাতীয় দলে ফেরা হচ্ছে না নেইমার জুনিয়রের। দীর্ঘ হচ্ছে বিশ্বকাপে খেলার অপেক্ষা। গ্রুপ পর্বে হলুদ জার্সিতে তাকে নাও যেতে পারে। এমনকি এখনো দলের সাথে অনুশীলনও করা হয়নি তার।
চোটের কারণে বিশ্বকাপে ব্রাজিলের প্রথম ম্যাচে খেলতে পারেননি নেইমার। মরক্কোর বিপক্ষে সেই ম্যাচে ১-১ ড্র করেছিল ব্রাজিল। এবার কার্লো আনচেলত্তি তাকে পরের দুই ম্যাচের দলেও পাচ্ছেন না।
এমনকি দলের সাথে থাকলেও বিশ্বকাপে খেলতে পারবেন কি না, এমন সংশয়ও আছে। যদি তাই হয়, তবে খুব কাছে থেকেও বিশ্বকাপে দর্শক হয়ে কাটাতে হবে তার। যা ব্রাজিলের জন্য হবে বড় ধাক্কা।
৩৪ বছর বয়সী নেইমার গত ১৭ মে সান্তোসের হয়ে খেলায় সময় পায়ের পেশির চোটে পড়েন। ১০ দিন পর ব্রাজিলের ক্যাম্পে যোগ দিলেও এখন পর্যন্ত দলের সাথে মূল অনুশীলন শুরু করতে পারেননি।
বার্তা এপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার দলের অনুশীলনে ফেরার কথা থাকলেও মাঠে না গিয়ে হাসপাতালে পরীক্ষা করাতে যান নেইমার। এতে তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
ব্রাজিলের কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের দাবি, দলের চিকিৎসকরা নকআউট পর্ব শুরুর আগেই নেইমারকে পুরোপুরি ফিট করে তোলার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছেন।
সে ক্ষেত্রে গ্রুপ পর্বে হাইতি ও স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দুটিতে তাকে দেখা যাবে না বলেই ধারণা করা হচ্ছে।
অবশ্য মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচের আগে ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি জানিয়েছিলেন, ‘নেইমার যত দ্রুত সম্ভব সুস্থ হয়ে ওঠার জন্য কঠোর পরিশ্রম করছে। আমাদের আশা, আগামী সপ্তাহেই সে দলের সাথে যোগ দিতে পারবে।’
এখন ব্রাজিল শিবিরের অপেক্ষা একটাই- চূড়ান্ত মেডিক্যাল রিপোর্ট কী বলছে। কারণ নকআউট পর্বে নেইমারের প্রত্যাবর্তন সেলেসাওদের শিরোপা স্বপ্নে বড় ভূমিকা রাখতে পারে।