সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান চেক পয়েন্ট রিসার্চের কর্মকর্তা গিল মেসিং জানান, এই ভুয়া বার্তাগুলো ঠিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সময়ের সঙ্গে মিলিয়ে পাঠানো হয়েছিল। মানুষ যখন প্রাণ বাঁচাতে নিরাপদ আশ্রয়ের দিকে ছুটছিলেন, ঠিক সেই মুহূর্তে তাঁদের কাছে এই বার্তা পৌঁছেছে। ডিজিটাল এবং ফিজিক্যাল অ্যাটাকের এমন নিখুঁত সমন্বয় আমরা আগে দেখিনি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, যুদ্ধবিরতি হলেও এই ডিজিটাল লড়াই থামার সম্ভাবনা কম। কারণ, প্রচলিত যুদ্ধের তুলনায় সাইবার যুদ্ধ অনেক বেশি সস্তা এবং সহজ। এর লক্ষ্য কেবল ধ্বংস করা নয়; বরং নজরদারি ও তথ্য চুরির পাশাপাশি জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করা। ইরান-সংশ্লিষ্ট হ্যাকাররা গত কয়েক মাসে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে প্রায় ৫ হাজার ৮০০টি সাইবার হামলা চালিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক নিরাপত্তা সংস্থা ডিজিসার্টের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৫০টি ভিন্ন ভিন্ন গোষ্ঠী এসব হামলার পেছনে কাজ করেছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হ্যাকারদের বিরুদ্ধেও সাইবার হামলার অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে ডিজিসার্টের ফিল্ড চিফ টেকনোলজি অফিসার মাইকেল স্মিথ বলেন, এগুলো আসলে একধরনের ভীতি প্রদর্শনের কৌশল। এর মাধ্যমে তারা বোঝাতে চায় যে ভিন্ন মহাদেশে থাকলেও তারা আপনার নাগালের বাইরে নয়।