ফুটবল জ্বরে কাঁপছে বিশ্ব। ক্রীড়াপ্রেমীদের উন্মাদনায় ভাসছে দেশ। প্রিয় দলের খেলা দেখতে রাত জেগে টিভির সামনে বসছেন অসংখ্য ভক্ত।
যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিত ২০২৬ বিশ্বকাপের একাধিক ম্যাচ বাংলাদেশ সময় গভীর রাত কিংবা ভোরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ফলে অনেকেই নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন প্রিয় তারকা ও দলের খেলা উপভোগ করতে; কিন্তু পরদিন অফিস, ক্লাশ বা দৈনন্দিন কাজের চাপ তো থেমে থাকে না। তাই রাত জাগার পর শরীরকে সতেজ রাখা এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ থাকলে আগেই কিছুটা ঘুমিয়ে নেওয়া উপকারী। সন্ধ্যা বা রাতের শুরুতে ১-২ ঘণ্টা বিশ্রাম নিলে পরবর্তী রাত জাগার ধকল কিছুটা কমে।
খেলার সময় খাবারের দিকেও দিতে হবে বিশেষ নজর। ভারি খাবারের বদলে হালকা স্ন্যাকস যেমন পপকর্ন, ভাজা ছোলা বা বাদাম খাওয়া ভালো। সহজে খাওয়া যায় এমন স্যান্ডউইচ বা র্যাপও উপযুক্ত বিকল্প, যা দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখে কিন্তু ক্লান্তি বাড়ায় না।
শক্তি ধরে রাখতে প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার যেমন সেদ্ধ ডিম, গ্রিলড চিকেন বা পনির কার্যকর ভূমিকা রাখে। একই সঙ্গে মিষ্টির বদলে তাজা ফল খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে, যা শরীরকে ভিটামিন ও হাইড্রেশন দেয়।
রাত জেগে থাকার সময় পর্যাপ্ত পানি পান করা অত্যন্ত জরুরি। লেবু পানি বা ডাবের পানি শরীরকে সতেজ রাখে। অতিরিক্ত কফি বা এনার্জি ড্রিংক এড়িয়ে চলা উচিত, কারণ তা ঘুমের স্বাভাবিক চক্রে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।
ফাস্ট ফুড পুরোপুরি বাদ না দিলেও ঘরোয়া স্বাস্থ্যকর ভার্সন বেছে নেওয়া ভালো। কম তেলে তৈরি পিৎজা বা বেকড স্ন্যাকস তুলনামূলকভাবে নিরাপদ।
মোটকথা, বিশ্বকাপের উত্তেজনা উপভোগ করার পাশাপাশি শরীরের যত্ন নেওয়াও জরুরি, যাতে রাত জাগার ক্লান্তি কমে এবং পরদিনও থাকে সতেজতা।