রাজধানীর কালশীর সুমাত্রা ফিলিং স্টেশনের সামনের স্ট্যান্ডে লেখা ‘বন্ধ’, নিচে সাদা কাগজে লেখা ‘অকটেন নাই’। এই পাম্পের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা ব্যক্তিগত গাড়ির দুটি সারির মধ্যে একটির সামনে বসে ছিলেন জিয়ারুল ইসলাম। চার ঘণ্টার বেশি সময় ধরে তিনি তেলের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। দীর্ঘ অপেক্ষায় ক্লান্ত হয়ে গেছেন তিনি।
আজ বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সুমাত্রা ফিলিং স্টেশনের সামনে কথা হয় জিয়ারুল ইসলামের সঙ্গে।
ঈদের পর আজ থেকে কাজ শুরু করেছেন জানিয়ে জিয়ারুল প্রথম আলোকে বলেন, ‘সুন্দরবন কুরিয়ারের একজন স্যারের ডিউটি করি। পাম্প থেকে তেল নিতে এসেছিলাম। কিন্তু এসে দেখি, পাম্পে তেল নেই, বন্ধ। এখন অন্য কোথাও যাওয়ারও উপায় নেই। এখানে তেল দিলেই নিতে হবে।’