জবাবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল বলেন, ‘শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের অনুরোধ চলমান বিচারিক ও অভ্যন্তরীণ আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আমরা এ বিষয়ে সব অংশীজনের সঙ্গে গঠনমূলকভাবে আলোচনা চালিয়ে যাব।’ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা সব ঘটনা খুব নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি।’
আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ নিয়ে আর কথা না বলে বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারে ভারতের আগ্রহের কথা উল্লেখ করেন জয়সোয়াল। তিনি বলেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ভারত সফরে দেশটির নতুন সরকারের সঙ্গে গঠনমূলকভাবে যুক্ত হওয়ার এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিষয়ে ভারতের ইচ্ছার কথা পুনর্ব্যক্ত করা হয়। প্রাসঙ্গিক দ্বিপক্ষীয় কাঠামোর (মেকানিজম) মাধ্যমে অংশীদারত্ব আরও গভীর করার প্রস্তাবগুলো খতিয়ে দেখতে উভয় পক্ষ সম্মত হয়েছে। খুব শিগগির পরবর্তী আনুষ্ঠানিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তা ছাড়া উভয় পক্ষ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিষয়ে মতবিনিময় করেছে।