সরকার অবশ্য দাবি করে চলেছে, এই মুহূর্তে দেশে জ্বালানি তেলের মজুত ও সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই। বিপিসির তথ্যও বলছে, সরবরাহ প্রায় স্বাভাবিক রয়েছে। এরপরও কেন এমন সংকট? প্যানিক বায়িং বা আতঙ্কের কেনাকাটার পাশাপাশি মজুতদারি ও তেল পাচারের কথা বলা হচ্ছে।
গত কয়েক দিনের অভিযানে গোয়ালঘর, বাগান, খাটের তলা থেকে মজুত করা তেলের সন্ধান মিলছে। ‘তেল নাই’—লেখা পাম্প থেকে উদ্ধারের খবর আসছে। ফলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে জমানো ডলার দিয়ে যে তেল আনা হচ্ছে, সেই তেল যখন মজুতদারদের কাছে মিলছে, তার থেকে দুঃখজনক আর কী হতে পারে! এর বিপরীতে সরকারের মজুতবিরোধী অভিযান যথেষ্ট কঠোর নয় বলেই প্রশ্ন উঠেছে।
যুদ্ধ শুরুর পরপরই সংকটের আঁচ ধরতে পেরে সরকার জ্বালানি সাশ্রয়ের নীতি ঘোষণা করে। তেল বিক্রিতে প্রথমে রেশনিং চালু করলেও ঈদের আগে সেটা তুলে নেয়। এ ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহের চেষ্টা করছে।
ইরান বাংলাদেশের জ্বালানিবাহী জাহাজ হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের অনুমতি দিয়েছে। এটা নিশ্চিত করে একটা স্বস্তির খবর। এ ছাড়া রাশিয়ার তেল কেনার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে অনুরোধ করেছে সরকার।