যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত ‘এগ্রিমেন্ট অন রেসিপ্রোকাল ট্রেড (এআরটি)’ চুক্তিকে নাল এন্ড ভয়েড বা অকার্যকর বলে দাবি করেছে মালয়েশিয়া, তবে ওয়াশিংটন জানিয়েছে—এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক নোটিশ তারা পায়নি, ফলে চুক্তির বাস্তব অবস্থান নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে কূটনৈতিক বিভ্রান্তি।

দেশটির বেশ কয়েকটি গণমাধ্যম মালয়েশিয়ার বিনিয়োগ, বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী জোহারি আব্দুল গনির উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট ট্রাম্প প্রশাসনের আরোপিত ট্যারিফ বাতিল করায় সেই ভিত্তির ওপর দাঁড়ানো দ্বিপক্ষীয় চুক্তিটি আর কার্যকর নেই এবং এটি “নাল এন্ড ভয়েড” হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম নিক্কেই এশিয়া ও দি এজ মালয়েশিয়া'র প্রতিবেদন অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট ট্যারিফ কাঠামোই ছিল এই চুক্তির মূল ভিত্তি। আদালতের রায়ে সেই কাঠামো ভেঙে যাওয়ায় মালয়েশিয়ার দৃষ্টিতে চুক্তিটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে অকার্যকর হয়ে পড়ে।

তবে দ্য ডিপ্লোম্যাট তার প্রতিবেদনে এক মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানিয়েছে, মালয়েশিয়া এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তি থেকে সরে যাওয়ার কোনো নোটিশ যুক্তরাষ্ট্রকে দেয়নি। ফলে ওয়াশিংটনের দৃষ্টিতে চুক্তিটি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল হয়নি।

এদিকে সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের তথ্য অনুযায়ী, মালয়েশিয়া সরকারের ভেতরেও এ নিয়ে কিছুটা বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে এবং পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট বক্তব্য মিসস্পোক হতে পারে বলেও ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

এছাড়া একাধিক নির্ভরযোগ্য আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোর বরাতে জানা গেছে, পুরো বিষয়টি এখন তিনটি স্তরে বিভক্ত—আইনি দৃষ্টিকোণে চুক্তির ভিত্তি ভেঙে যাওয়ায় এটি অকার্যকর, কূটনৈতিকভাবে এখনো আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা হয়নি, আর বাস্তবতায় চুক্তিটি কার্যত ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছে।

ফলে নেটিজনে স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন উঠেছে—মালয়েশিয়া কি বাস্তবে চুক্তি বাতিল করেছে, নাকি এটি কেবল আইনি ভিত্তি হারিয়ে কার্যকারিতা হারিয়েছে। তবে বিষয়টি পরিষ্কার হতে উভয় দেশের মধ্যে আনুষ্ঠানিক বিবৃতির জন্য অপেক্ষা ছাড়া ধোঁয়াশা থেকেই যাচ্ছে।



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews