এডিসি জুয়েল রানা বলেন, বিয়ের পরও ওই মেয়ে আগের প্রেমিক হৃদয়ের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন। এ নিয়ে মুন্না তাঁদের বারবার নিষেধ করেন, হুমকি দেন। তিন বছর পর হৃদয় দেশে ফিরলে তিন দিনের মাথায় তাঁকে কুপিয়ে জখম করেন।
হৃদয়কে কুপিয়ে আহতের ঘটনায় তাঁর বাবা বাদী হয়ে মোহাম্মদপুর থানায় মামলা করেন। এতে মুন্নাসহ চারজনের নাম উল্লেখ করা হয়। অন্য আসামিরা হলেন রাসেল ওরফে আন্ডা রাসেল, বিল্লাল ওরফে কালা বিল্লাল ও সাইফুল ওরফে ঘাড়কাটা সাইফুল। এ ছাড়া কয়েকজনকে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করা হয়।
সংশোধনী: প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদনে ওই মেয়েকে হৃদয়ের সাবেক স্ত্রী বলে উল্লেখ করা হয়েছিল। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ওই মেয়ে হৃদয়ের প্রেমিকা ছিলেন। ২৮ আগস্ট ২০২৬ রাত ১০টা ৪৩মিনিটে এই প্রতিবেদন সংশোধন করা হলো।