গত তিন দশকে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষায় ব্যাপক রূপান্তর ঘটিয়েছে। তারা উচ্চশিক্ষায় প্রবেশাধিকার বিস্তৃত করেছে, শিক্ষকদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে এবং দেশের মানবসম্পদ উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে। এ জন্য তাদের স্বীকৃতি প্রাপ্য।
তবু এই সাফল্যের আড়ালে রয়েছে একটি ক্রমবর্ধমান উদ্বেগ, যা নিয়ে খুব কম মানুষই খোলাখুলি আলোচনা করতে চান: উচ্চশিক্ষার ক্রমবর্ধমান বাণিজ্যিকীকরণ এবং শিক্ষার মানের ও শিক্ষকের স্বাধীনতার ওপর তার প্রভাব।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা কেন্দ্রীয় অংশীজন। তাঁদের মতামত গুরুত্বপূর্ণ এবং শিক্ষকদের বিরুদ্ধে যৌক্তিক অভিযোগ সব সময় গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা উচিত। একইভাবে, পেশাগত আচরণ বজায় রাখা, মানসম্মত পাঠদান করা এবং শিক্ষার্থীদের প্রতি ন্যায্য আচরণ করার ক্ষেত্রে শিক্ষকদের জবাবদিহি থাকতে হবে। তবে জবাবদিহি এমন একপক্ষীয় প্রক্রিয়ায় পরিণত হওয়া উচিত নয়, যেখানে কেবল এক পক্ষের কণ্ঠই শোনা হয়।